ঢাকায় পৃথক ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাও হয়েছে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, দক্ষিণখান আজমপুর মধ্যপাড়ার আবদুল কাদের সরণি রোডে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু হয়। পথচারী মমিন তাকে উদ্ধার করে গতকাল সকালে ঢামেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দক্ষিণখান থানার এসআই আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রিল বেয়ে চুরি করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়। এদিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অচেতন অবস্থায় ফালু হোসেন ফারুক নামে এক কয়েদিকে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক গত মঙ্গলবার রাত ৩টায় মৃত ঘোষণা করেন। কারারক্ষী আবু হানিফ বলেন, মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলার আসামি ফালু। তার বাসা মোহাম্মদপুর তোরাগ হাউজিংয়ে, বাবার নাম সিদ্দিক মিয়া।

অন্যদিকে, ধলপুরের একটি বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে স্বপন নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ের সিরাজ মিয়ার ছেলে স্বপন। একটি কাগজের কারখানায় কাজ করতেন তিনি। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা ভাই শফিক বলেন, ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছেন দেখে আমি স্বপনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরে চিকিৎসক রাত ২টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্য ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল পূর্ব নাখালপাড়া লিচুবাগান এলাকার ৩৩০/এফ নম্বর বাড়ি থেকে সমরেশ মধু নামে আরেক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি নাভানা গ্রুপে চাকরি করতেন। তার চাচাতো ভাই উজ্জ্বল বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সমরেশকে বাড়িতে রেখে রুমমেটরা কাজে চলে যান। পরে সন্ধ্যা ৬টায় তারা বাড়ি ফিরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে গতকাল সকালে সবুজবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন শুভ চন্দ্র রায় ও শুভ আহমেদ। তারা দুজনই বাসাবো এলাকায় ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। সবুজবাগ থানার এসআই সাইফুর রহমান খান জানান, মাদারটেক বাগানবাড়ী এলাকায় একটি ভবনের তিনতলার বারান্দায় গ্রিলের কাজ করছিলেন ওই দুই শ্রমিক। নিচ থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে তিনতলায় গ্রিল ওঠানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তারা। পরে দুজনকে দ্রুত উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

"