জাবিতে ফের শিক্ষকদের দুই গ্রুপে ‘হাতাহাতি’

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) একজন সিন্ডিকেট সদস্যের সিন্ডিকেট সভাকক্ষে প্রবেশকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের মধ্যে ফের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো রেজিস্ট্রার ভবনের দোতলার সামনে এ ঘটনা ঘটে। উপাচার্যপন্থি ও উপাচার্যবিরোধী আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ‘হাতাহাতি’তে জড়িয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।

এর আগেও গত ১৭ এপ্রিল পরিবহন ডিপোতে তালা দেওয়া নিয়ে উপাচার্যপন্থি ও উপাচার্যবিরোধী শিক্ষকদের মধ্যে ‘হাতাহাতি’র ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সে সময় ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

জানা যায়, গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় পূর্বনির্ধারিত সিন্ডিকেট সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। একপর্যায়ে উপাচার্য প্যানেল, সিন্ডিকেট ও ডিন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ না দেওয়ার দাবিতে উপাচার্যবিরোধী আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। এর প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরা সভাকক্ষের আশপাশে অবস্থান নেন। পরে বিকেল সোয়া ৪টায় কৃষক লীগের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মোতাহার হোসেন মোল্যা সিন্ডিকেট সভাকক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে উপাচার্যবিরোধী শিক্ষকরা পথরোধ করেন এবং সিন্ডিকেট সভায় অংশগ্রহণ না করার অনুরোধ জানান। এ নিয়ে উপাচার্যপন্থি ও উপাচার্যবিরোধী শিক্ষকরা বাকবিত-া ও একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। কয়েক মিনিট ধাক্কাধাক্কি চলার পর উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরা মোতাহের হোসেন মোল্লাকে সভাকক্ষে ঢুকিয়ে দেন।

এ বিষয়ে উপাচার্যবিরোধী বলে পরিচিত ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’র সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ রকম ঘটনা অপ্রত্যাশিত। উপাচার্যের শিক্ষকরা এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন।’ প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এটা শান্তভাবে অনুষ্ঠিত হবে এটাই প্রত্যাশা। এর মধ্যে শিক্ষকদের এমন আচরণ একবারেই কাম্য নয়।’ উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম সিন্ডিকেট সভায় থাকায় এ বিষয়ে তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

"