ভিওআইপি : ১১ হাজার সিম জব্দ, গ্রেফতার ৮

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ ভিওআইপি অভিযানে ১০ হাজার সিমসহ প্রায় ৩৭ লাখ টাকার সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও র?্যাব। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুর, আদাবর, বাড্ডা, উত্তরা পশ্চিম থানার আবাসিক ছয়টি স্থাপনায় বিটিআরসি ও র?্যাবের সমন্বয়ে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত অবৈধ ভিওআইপি অভিযানে বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের ১০ হাজার ৯৪৭টি সিম ও প্রায় ৩৭ লাখ টাকার মূল্যবানের অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে আট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিটিআরসি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অভিযানকালে মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের ৫ হাজার ৭৫টি, এয়ারটেল/রবির ৩ হাজার ৮৯৭টি, গ্রামীণফোনের ১ হাজার ৪১৪টি, বাংলালিংকের ৪২৬টি, পিএসটিএন অপারেটর র?্যাংকসটেলের ১২০টি এবং ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়নের ১৫টি সিম জব্দ করা হয়। এছাড়া অবৈধ ভিওআইপি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের সিমপোর্ট যেমনÑ ৫১২, ২৫৬, ১২৮, ৩৬, ৩২, ২৪, ১৬ ও ৮ সিমপোর্ট বিশিষ্ট মোট ৭২টি জিএসএম (সিমবক্স) গেটওয়ে ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক মালামাল জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে জড়িত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা, আদাবর থানা, বাড্ডা থানা এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রয়ণ আইন-২০০১ এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, বিটিআরসি তার চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় বর্তমানে এ সংক্রান্ত অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত সিমবক্সের সুনির্দিষ্ট স্থান (পিন পয়েন্ট) শনাক্তকরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে। যার ফলে সম্প্রতি অভিযানগুলোতে অতীতের চেয়ে অধিকতর সফলতা অর্জিত হচ্ছে এবং অভিযানগুলো থেকে প্রতীয়মান হয়েছে যে, অত্যাধুনিক এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সরকারের প্রতি বছর আন্তর্জাতিক কল আদান-প্রদান সংশ্লিষ্ট খাত থেকে ৫০ কোটি টাকারও অধিক সাশ্রয়ী হবে।

"