জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ ১৪ অক্টোবর

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

আদালত প্রতিবেদক

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিলবিষয়ক আদেশের জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল রোববার রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে গতকাল জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।

গতকাল বিশেষ জজ আদালতের কার্যক্রম দুপুর পৌনে ১২টায় শুরু হয়। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা তার অসুস্থতার কথা জানিয়ে জামিন বহাল রাখার যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, জামিন বাতিলের জন্য যুক্তি দেখান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

পরে সাংবাদিকদের খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ‘খালেদা জিয়া যেহেতু অসুস্থ, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আদালতের কাস্টডিতেই আছেন। জেলে থাকা আসামির জামিন বাতিল করার কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়ার জামিন বর্ধিত করা তার আইনসম্মত অধিকার। জামিন বাতিল করার আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তৃতীয় কথা হলো, আমরা বলেছি, পাবলিক প্রসিকিউটর যে আবেদন করেছেন, এই মামলা যুক্তিতর্ক থেকে রায় নেওয়া হোক। সেটা আইনসম্মত হয়নি এবং ফাইভ ফোর্টির বিশ্লেষণ না পাওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞ আদালত আপনার কোনো সিদ্ধান্ত প্রসিড হওয়া আইনসম্মত হবে না।’

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল শুনানিতে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তার জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কোনো যুক্তিসংগত জবাব দাখিল করেনি। তাই তার জামিন বাতিল করা হোক।’

আইনজীবী মোশাররফ হোসেনে কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই মামলায় যুক্তিতর্কের কোনো সুযোগ নেই। সেহেতু আমরা রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য বলেছিলাম, এক নম্বর পয়েন্ট। আর দুই নম্বর পয়েন্ট ছিল, খালেদা জিয়ার জামিন আমরা বাতিল চেয়েছিলাম। রায়ের তারিখ ঘোষণা করার জন্য আমরা যেই দরখাস্ত দিয়ে রেখেছি, সেই আলোকে আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনেছেন, কথাবার্তা শুনেছেন। তিনি আগামী ১৪ তারিখ উচ্চতর আদালতের আদেশ এবং এ রায়ের বিষয়ে এবং পরবর্তী মামলার রায়ের তারিখের ব্যাপারে তিনি আদেশ দেবেন।’

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি ছয়জন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

"