আরো দুই উচ্চফলনশীল ধান

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

বিবিসি

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের একদল বিজ্ঞানী দীর্ঘ সময় গবেষণা করে ধানের দুটি নতুন জাত বিআর ৮৮ ও বিআর ৮৯ জাত উদ্ভাবন করেছেন। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষক ড. মো. আলমগীর হোসেন বলেন, বোরো মৌসুমের জন্য উচ্চফলনশীল ধান এটি। এই দুটি ধানের জাত উদ্ভাবন করতে ১৮ বছর সময় লেগেছে।

এই দুটি ধানের জীবনকাল হবে বপন করা থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ১৪৩ দিন। এর ফলন প্রতি হেক্টরে সাত টন হবে। ধানটি প্রথমে গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়েছে। এরপর বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসোর্স কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটিতে এ ধানের সফলতার বিষয়টি অনুমোদন হয়েছে। এখন এই দুই ধরনের ধানের বীজ ন্যাশনাল সিড বোর্ডে চূড়ান্ত পর্যায়ে অনুমোদন দেওয়া হবে। ড. হোসেন বলেন, সাধারণত বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্স কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটিতে অনুমোদন হলে সেটা পরবর্তীতে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে অসুবিধা হয় না।

এখন দুটি জাত ব্রিধান ২৮ এবং ২৯-এর সঙ্গে নতুন জাত বিআর ৮৮ ও বিআর ৮৯-এর মূল পার্থক্য কী হবে? ড. হোসেন বলেন, ‘২৮-এর মতো গ্রোথ হবে, কিন্তু ফলন বেশি হবে। জাতীয়ভাবে ১০টা স্থানে তারা পরীক্ষামূলক ফলন করেছেন। সেখানে প্রতি হেক্টরে ৬০০ কেজি ধানের ফলন হয়েছে।’ তবে তারা আশা করছেন, কৃষকরা চাষ করা শুরু করলে পরবর্তীতে এই ফলন আরো বাড়বে। এর আরো বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ধানটা হবে চিকন, সুস্বাদু, ২৮-এর মতো জীবনকাল, কিন্তু ফলন বেশি। আগামী দু-এক বছরের মধ্যেই কিছু কিছু কৃষকের কাছে ধানটা পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯৪ সালে ব্রিধান ২৮ ও ২৯ উদ্ভাবন করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। দীর্ঘদিন ধরে এই দুইটি জাতের ফসল উৎপাদন করে কৃষক ব্যাপক লাভবান হয়েছেন বলে গবেষকরা মতামত দিয়েছেন।

 

"