ছুটির দিনেও ঢাকায় ট্রাফিক সচেতনতা

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রাফিক নিয়মে উৎসাহিত করতে ছুটির দিনেও ঢাকায় চলছে ট্রাফিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম। পুলিশ ৪র্থ দিনের মতো রাজধানীতে এই অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশের এ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরা।

গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ির ফিটনেস ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করেন তারা। এছাড়া সাধারণ মানুষকে জেব্রা ক্রসিং, ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার ও ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে উৎসাহিত করা হয়। উল্টো পথে গাড়ি চালানো, নিয়ম অমান্য করে পথচারী চলাচল করায় পথচারী ও চালকের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।

চালক ও যাত্রীদের হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চলতে দেওয়া হয়নি। ট্রাফিক পুলিশের চারটি জোনের ১৫০টি চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়। শাহবাগ মোড়ে পুলিশ বক্সের পাশের সড়কে ট্রাফিক সচেতনতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় আবুল মকসুদ বলেন, এই অনুষ্ঠানে বসেই দেখছিলাম ১১ জন পথচারী মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছে। এটা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। আমি চাই যেসব পথচারী এমনটা করছেন তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা হোক।

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ আইন মানে না। পুলিশের একার পক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। পথচারী ও জনগণের নিজ থেকেও সচেতন হতে হবে। কোনো পুলিশ সদস্য যাতে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ না করে সেদিকে ডিএমপি কমিশনারকে খেয়াল রাখার আহ্বান তিনি।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। পুলিশের কোনো সদস্য যদি আইন ভঙ্গ করে তাহলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আমরা দেখি পথচারীরা রাস্তায় হঠাৎ করে ঝাঁপ দিয়ে রাস্তা পার হয়, তারা আইন মানে না। ফুটওভারব্রিজ, আন্ডারপাস ব্যবহার করে না। ফলে দুর্ঘটনা হলে কি চালকের দোষ হবে? এসব দুর্ঘটনায় কোনোভাবেই চালকের দোষ হবে না। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। শেষে পুলিশ ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা র‌্যালি বের করেন।

 

"