ছাত্রলীগ কর্মীরা মাঠে নামলে সহজেই নিরক্ষরতা দূর হবে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ঢাবি প্রতিনিধি

ছাত্রলীগকে সারা দেশের নিরক্ষরতা দূর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, আমি মনে করি যথার্থভাবেই ছাত্রলীগ তাদের টার্গেটেড সময়ের মধ্যেই ঘোষণা করবে বাংলাদেশে কোনো নিরক্ষরতা নেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী তামিলনাড়তে ১০০ ভাগ লোক শিক্ষিত। আমি মনে করি, দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করতে বেশি লম্বা সময় লাগবে না যদি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এ কাজে মাঠে নামে।

গতকাল শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘স্বাক্ষরিত অভিযান’ শিরোনামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশা চালায় এমন সাতজন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন হল ক্যান্টিন বালকের হাতে বই তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০১ এ যখন আমরা ক্ষমতা ছাড়ি তখন সাক্ষরতা হার ছিল ৬০ শতাংশ। ২০০৯ এ যখন ক্ষমতা গ্রহণ করি তখন এই হার ৪০-৪১ শতাংশ। এই ধরনের ইতিহাস কোনো রাষ্ট্রে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমরা চার হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ রেখে গেলাম এসে পেলাম তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াট। আমরা চালে ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সেখানে আমরা দেখলাম লাখ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি। সেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোথায় নিয়ে গেছেন! ২০০৮ এ তিনি বলেছিলেন বদলে দিবেন বাংলাদেশকে। তিনি যথার্থভাবেই তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন।

তিনি বলেন, আপনারা ঘুরুন সারা বাংলাদেশে। নিজের চোখে দেখুন আমরা কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছি। পায়রা বন্দরের দিকে চলে যান, কক্সবাজারের দিকে চলে যান আমাদের নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে সেখানে চলে যান। কিভাবে উন্নয়নের মহাস্রোতে আমরা মিলিয়ে গেছি সেটা লক্ষ করেন। পৃথিবীর যেখানেই যাই আজকে আমাদের বলে না বাংলাদেশ থেকে এসেছো, ভিন্ন লাইনে দাঁড়াও। আমাদের আজকে সমীহ করে। আমি যেখানেই যায় সেখানে বলে তোমাদের সফলতার কারণটা কি। আমি বলি, ‘প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ভালোবাসেন, জনগণ তার ওপর আস্থা রেখেছে যেমনভাবে তার পিতার প্রতি আস্থা ছিল সারা বাংলাদেশের মানুষের।’ ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে বেঁচে থাকতে দেয়নি। এ সময় তিনি বলেন, আমি সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়াই। আমি প্রধানমন্ত্রীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখেছি।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক উপস্থিত ছিলেন ।

 

"