সংসদ নির্বাচনে সেনা নিয়োগের বিধান নেই : নৌমন্ত্রী

প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৮, ০০:০০

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়োগের বিধান নেই। বলা আছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে বুঝায় পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি। সেনাবাহিনী প্রতিরক্ষা বাহিনী। সুতরাং নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়োগের সম্ভাবনা আমি দেখছি না। গতকাল শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সোনাহাট স্থলবন্দরের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন হবে একদিক মুক্তিযুদ্ধের শক্তি অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি। আমি বিশ্বাস করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিকেই জনগণ বিজয়ী করবে।

৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সোনাহাট স্থলবন্দরের অবকাঠামো উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সেখানেই স্থানীয় সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী বলেন, অবিলম্বে নদী খনন ও চিলমারী বন্দর চালু করা হবে। সোনাহাট স্থলবন্দরে ১০টি ভারতীয় পণ্য আমদানির পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইমিগ্রেশন চালু করা হবে।

এ সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর মোজাম্মেল হক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী, জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী পরে চিলমারী নৌবন্দর পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৭ নভেম্বর সোনাহাট স্থলবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। পরে ২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৪ দশমিক ৬৮ একর জমির ওপর ৬০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি ওয়্যার হাউস, ৯৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের পার্কিং ইয়ার্ড, ৮৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের ওপেন স্ট্যাক ইয়ার্ড, শ্রমিকদের জন দুইটি বিশ্রামাগার, একটি প্রশাসনিক ভবন, সিকিউরিটি ব্যারাক, ডরমেটরি ভবনসহ অন্য অব কাঠামো নির্মাণে ৩৯ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

সোনাহাট স্থলবন্দরের সঙ্গে ভারতের এলসি স্টেশন গোলকগঞ্জ, ধুবরী, আসাম থেকে ১০টি পণ্য চুক্তির ভিত্তিতে আমদানি হয়ে আসছে।

"