সিদ্ধিরগঞ্জে ও কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এবং কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট-

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে পাইনাদি এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার ভোরে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাজমোহন রিকন (৪০) নামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় র‌্যাবের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রচুর ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক আলেপ উদ্দিন জানান, রাজমোহন রিকনের বাড়ি মেহেরপুর জেলা সদরের কাঁসারীপাড়া। তিনি নিহাজ উদ্দিন তুফানের ছেলে। মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে একটি ট্রাক ঢাকার দিকে যাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদি এলাকায় অবস্থান নেয়। চেকপোস্টে একটি ট্রাকের গতিরোধ করা হলে সেখান থেকে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এতে রিকন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আর তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ট্রাক আটক করে তল্লাশি চালালে দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ২ লাখ টাকা পাওয়া যায়। বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের ডিএডি রবিউল, ডিএডি আজিজ ও নির্মল আহত হন। নিহত রিকনকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হামিদুল বাহিনী প্রধান শীর্ষ সন্ত্রাসী হামিদুল ইসলাম (৪৫) নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের দাবি এ ঘটনায় তাদের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে শহরের গড়াই নদীর বাঁধ সংলগ্ন চর মিলপাড়ার বালুর মাঠে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‌্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার এম মুহাইমিনুর রশিদ জানান, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে একদল সন্ত্রাসী গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন বালুর মাঠে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে র‌্যাবের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে র‌্যাব ও পাল্টা গুলি চালালে একজন গুলিবিদ্ধ হয়, তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হামিদুল ইসলাম পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি ও দুইটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত হামিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটভাটা এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে হামিদুল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড তার ছোট ভাই রাশিদুল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।

"