জমি ও কমিটি নিয়ে বিরোধ

মাদ্রাসা সুপারের মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত : আটক ৩

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮, ০০:০০

বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদ্রাসার জমি ও কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে সুপারকে প্রকাশ্যে মারধর এবং মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটক মিরাজ হোসেন সোহাগ বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা আ. মজিদ সরদারের ছেলে। এর আগে মিনজু ও বেল্লালকে আটক করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম।

তিনি জানান, মিরাজকে আটকের আগে ঘটনায় জড়িত বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামের মৃত মো. হাসেম মুসল্লীর ছেলে মিনজু (৪৫) ও বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন হাওলাদারের ছেলে বেল্লালকে (২৫) আটক করা হয়। তিনি বলেন, মাদ্রাসা সুপারের মাথায় ও শরীরে মানুষের পরিত্যক্ত মল ঢেলে দিয়ে লাঞ্ছনার এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। খবরটি জানতে পারার পর থেকেই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ও মামলায় অভিযুক্ত সবাইকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ হয়েছে, সেই ভিডিও চিত্রের বাইরেও অনেকে এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের বিষয়ে আমরা তথ্য পাচ্ছি, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে কাঁঠালিয়া গ্রামের কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দারুছুন্নাৎ দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সুপার মাওলানা মো. আবু হানিফকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করা হয় এবং লাঞ্ছনার ভিডিও ধারণ করা হয়। ঘটনার পর লাঞ্ছনার শিকার মাদ্রাসার সুপার ও তার পরিবার লোকলজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখে। তবে গত রোববার লাঞ্ছনার ঘটনার একটি ভিডিও ধারণকারীদের মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। এর পরপরই মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে নিজের ছোট ভাই জাকারিয়া হোসেন জাকিরসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

"