সংসদে প্রশ্নোত্তর

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ন শুরু হয়েছে

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক-মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ন শুরু হয়েছে। বিষয়টি এখন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে মো. মামুনুর রশীদ কিরনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জামুকা সভায় রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য উপস্থাপিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, স্বনামধন্য পেশাজীবী, প্রথিতযশা সাংবাদিক ও অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, এমন সব ব্যক্তিবর্গকে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে সভায় উপস্থিত সদস্যরা অভিমত ব্যক্ত করেন। ফলে জামুকায় প্রাপ্ত আবেদনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে প্রাপ্ত তালিকা একত্র করে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে জামুকার পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা : শরীফ আহেমদের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক-মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানিভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্মানিভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সেচের আওতা : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সেচের আওতার বাইরের কৃষিজমি সেচের আওতায় আনতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে রাবার ড্যাম নির্মাণ, ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণাগার স্থাপন, সেচ যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা হচ্ছে। দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুর্বর জমি : নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে এক ফসলি জমির থেকে দুই ফসলি জমির পরিমাণ এক লাখ ৬৬ হাজার হেক্টরের বেশি। দুই ও তিন ফসলি জমি যাতে অকৃষি খাতে চলে না যায়, সে ব্যাপারে স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দেশে এক ফসলি জমির পরিমাণ ২২ লাখ ৫২ হাজার ৪৩৮ হেক্টর। দুই ফসলি জমির পরিমাণ ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ৬৪১ হেক্টর। এ ছাড়া দেশে তিন ফসলি জমির পরিমাণ ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৭১ হেক্টর।

বাঘের সংখ্যা কমছে না : বাঘের সংখ্যা কমছে না বলে জানিয়েছেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। নুরুল ইসলাম মিলনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বাঘের সংখ্যা কমছে না। বাঘের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে আমরা ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করছি। আগে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে সংখ্যা নির্ণয় করা হতো। তিনি বলেন, বাঘের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য সুন্দরবনে তিনটি বাঘের অভয়ারণ্য করা হয়েছে। সেই অভয়ারণ্য শুধু অভয়রণ্যই নয়, সেগুলো প্রকৃত অর্থেই বাঘ প্রজননে কাজ করছে।

"