বাঘায় ভিন্ন সেটে পরীক্ষা

জানাজানির পর দুশ্চিন্তায় ১২৯ এসএসসি পরীক্ষার্থী

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৮, ০০:০০

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাঘায় এসএসসির একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুমোদিত প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা না নিয়ে, ভিন্ন প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনা গতকাল রোববার জানাজানি হয়েছে। আর এতে ১২৯ শিক্ষার্থী ফলাফল নিয়ে পড়েছে দুশ্চিন্তায়।

জানা যায়, বাঘা উপজেলার আড়ানী ফুলমননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জীববিজ্ঞান (সৃজনশীল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড় জবা ’ক’ সেট-এর পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু কেন্দ্র সচিব সিরাজুল ইসলাম নির্দেশিত সেট সংগ্রহ না করে গাঁদা ’খ’ সেট প্রশ্ন সংগ্রহ করে পরীক্ষা নেয়। ফলে বিষয়টি এলাকায় গতকাল রোববার জানাজানি হলে ১২৯ জন শিক্ষার্থী ফল নিয়ে পড়েছে দুশ্চিন্তায়।

আড়ানী মনোমোনিহী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আড়ানী ফুলমননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ছাত্র মাহামুদুল হক, সুদেসনা দাস, সুবর্ণা দাস জানায়, আমরা বিষয়টি জানতাম না। ১১ মার্চ এই ঘটনাটি জেনেছি। পরীক্ষা ভালো হয়েছে। তবে এখন ফলাফলে কি হবে চিন্তায় আছি।

আড়ানী মনোমোহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমার বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল নিয়ে আমিও দুশ্চিন্তায় পড়েছি। কি হবে কিছুই বুঝতে পারছি না।’

আড়ানী ফুলমননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্যারকে অবগত করেছি। দুই সেট প্রশ্ন আড়ানী জনতা ব্যাংককে সংরক্ষিত ছিল। জীববিজ্ঞান (সৃজনশীল) দেখে প্রশ্ন এনে পরীক্ষা নিয়েছি। আমি এই প্রথমবার কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করি। এটি আমার ভুল হয়ে গেছে। কি করব কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। বিষয়টি জানার পর দেখি যে, ’ক’ সেট প্রশ্নের পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু ’খ’ সেট পশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।’

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আনারুল হক প্রামানিক বলেন, ‘বিষয়টি আড়ানী ফুলমননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব জানিয়েছেন। আমি অফিসিয়াল কাজে ঢাকায় আছি। সোমবার কেন্দ্র সচিবকে বোর্ডে এসে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছি। সঠিক জবাব দিতে না পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া এতগুলো শিক্ষার্থীর বিষয়ে বোর্ড চিন্তা করবে।’

"