নারী অগ্রগতিতে বিশ্বে নতুন বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

ফয়জুন্নেসা মণি

বাংলাদেশ আজ ‘নারীর ক্ষমতায়নে’ বিশ্বের বুকে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দফতরে কমিশন অন দ্য স্ট্যাটাস অব উইমেনের (সিএসডব্লিউ) চলতি ৬১তম সেশনে কান্ট্রি স্টেটমেন্ট পর্বে এ কথা বললেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ। বাংলার নারীরা শুধুই এগিয়ে যাচ্ছেন তা নয়, অর্থনীতির চাকাকে গতিময় করছেন এবং বাংলাদেশকে সঙ্গে করে বিশ্বময় সফলতার নতুন নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করছেন। এই গৌরবময় অগ্রযাত্রা আর থামার নয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নারী। প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু নারী উন্নয়ন আর জাগরণেই নয়, তিনি নারীর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার নারী। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীসহ প্রায় সব পেশায় ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল পর্যায়ে এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। অর্থনৈতিক কর্মকা-ে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের যুগপৎ অংশগ্রহণসমৃদ্ধ বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে সাহায্য করেছে। উন্নয়নে বাংলাদেশে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ, সাফল্য বিশ্বে নারী অগ্রগতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ। সত্যিই বাঙালি নারীদের জাগরণের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল আমাদের ভাষা আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে। দিন অনেক বদলে গেছে। বাংলার নারীরা এখন পুরুষদের সমানতালে অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য সামলিয়েও আগের মতোই ঘর-সংসার আর সেবাযতেœর সব তাল ঠিক রাখছে। প্রায় শতবর্ষ আগে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন উন্নয়নে নারীদের অংশীদারিত্বের যে পথ দেখিয়ে গেছেন, সেই পথ ধরেই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অধিষ্ঠিত হয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন। এখন সবখানে নারীর ভূমিকা প্রায় সমানে সমান। কোথায় নেই নারীর স্বগর্ব অবস্থান-শিক্ষাঙ্গন থেকে রাজনীতি, বাণিজ্য থেকে শিল্পকর্ম, সাংবাদিকতা থেকে সৈনিক, ঝুঁঁকিপূর্ণ মিশন থেকে সেবা ধর্মে সবখানে আছে নারীর সমুজ্জ্বল ভূমিকা।

এখন আর গৃহকর্মে বাঙালি নারীর সুনিপুণতা কিংবা সাহিত্যে সৃজনী পদচারণে সীমাবদ্ধ নয়। এ কথা স্বীকার করতেই হবে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশে নারীর শ্রমই অন্যতম নিয়ামক শক্তি। বাংলাদেশে কৃষি ও শিল্পশ্রমে নারীর ভূমিকা অগ্রগণ্য। আধুনিক সময়ের সঙ্গে পাল্টে গেছে নারীদের দৃষ্টিভঙ্গিও। তারই প্রতিফলন সাধারণ পেশার বাইরে চ্যালেঞ্জিং ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত হয়ে নারীরা বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে। নানামাত্রিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন বাংলাদেশের নারীরা। সার্ক অঞ্চলে বিভিন্ন দেশে নারী নিগ্রহের তুলনায় অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, নারীদের উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া এবং নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ প্রশংসার দাবিদার। বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরে মূলধারার অর্থনৈতিক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছেন নারী উদ্যোক্তারা। তারা নিজেদের শিক্ষা, মেধা আর সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে ছোট-মাঝারি ও বড় শিল্প গড়ে তুলছেন। পোলট্রি, দুগ্ধ খামার, ফিশারি, পাটপণ্য উৎপাদন, বুটিক, হ্যান্ডিক্র্যাফটস, আইসিটি ফার্ম, অনলাইন বিপণন থেকে শুরু করে নতুন নতুন সৃজনী এমনকি উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে সফলতার অনন্য স্বাক্ষর রাখছেন নারীরা। তাদের এসব উদ্যোগের ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থান এবং নতুন নতুন পণ্যবাজারও সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলার নারীরা শুধুই এগিয়ে যাচ্ছেন তা নয়, অর্থনীতির চাকাকে গতিময় করছেন এবং বাংলাদেশকে সঙ্গে করে বিশ্বময় সফলতার নতুন নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করছেন। এই গৌরবময় অগ্রযাত্রা আর থামার নয়। সিপিডির এক গবেষণায় দেখানো হয়েছে-পরিবার পরিপালন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যাসহ সংসার ও আবাসকে গতিশীল রাখার ক্ষেত্রে নারীর নীরব অবদানের অর্থমূল্য ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। সুতরাং দেশের উন্নয়নে নারীর ভূমিকা বহুমাত্রিক এতে কোনো সন্দেহ নেই। নারীদের শিক্ষা ও দক্ষতা যত বাড়বে পেশাদারিত্বে দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ এবং দেশের উন্নয়নে নিজেদের মেধাকে ততই কাজে লাগাতে পারবে। নারী শিক্ষায় অগ্রগতি, ঝরে পড়ার হার কমে যাওয়াসহ শিক্ষার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোল মডেল এখন বাংলাদেশ।

বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে গৌরবময় ও সম্মানজনক আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলার মেধাবী নারীরা। ব্যারিস্টার স্বপ্নারা খাতুন প্রথম বাংলাদেশি যাকে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ জজ হিসেবে নিয়োগ দেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির এমপি নির্বাচিত হয়েছেন রুশনারা আলী, রেজওয়ানা সিদ্দিক টিউলিপ ও রূপা হক। ‘বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো’ আসনের এমপি রুশনারা আলীকে ট্রেড এনভয় নেটওয়ার্কের বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্যদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘নিউ হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্গ’ আসন থেকে লেবার পার্টির প্রতিনিধিত্ব করছেন টিউলিপ সিদ্দিক। অটিজম বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি গ্লোবাল অটিজম পাবলিক হেলথ ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশের জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসনও বটে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর কর্মকা-েও বাংলাদেশের নারীরা দক্ষতার সঙ্গে প্রশংসনীয় দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন আইভরি কোস্টে ৫৬ সদস্যের একটি মেডিকেল কন্টিনজেন্টে কর্নেল ডা. নাজমা বেগম নারী কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দেন। নারী সাফল্যের আরেকটি অর্জন নাজনীন সুলতানার বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর নিযুক্ত হওয়া। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান এশিয়ার নোবেলখ্যাত র‌্যামন ম্যাগসাসে পুরস্কার পেয়ে বাংলাদেশের নারীর কৃতিত্বকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ডে এসটি জোনস শহরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেন পুলিশের ৫০তম বার্ষিক সম্মেলনে ‘আইএডব্লিউপি-২০১২’ পুরস্কারে ভূষিত হন বাংলাদেশি কৃতী নারী আবিদা সুলতানা। বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ৫০ উদ্যোক্তার তালিকায় বিশ্বখ্যাত নারী উদ্যোক্তার স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক সুমাইয়া কাজী। খেলাধুলায় ও কসরতের সাহসী কর্মযজ্ঞে পিছিয়ে নেই নারী। হিমালয়শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করার মতো দুঃসাধ্য কাজ করে দেখিয়েছেন প্রথম বাংলাদেশি নারী নিশাত মজুমদার। টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেদা রহমান লিমু কিংবা দাবা সাম্রাজ্ঞী রানী হামিদ, সালমা খাতুন এবং ভারতে আয়োজিত এসএ গেমসে অংশগ্রহণকারী প্রমীলা ভারোত্তলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সেরা তারকা।

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশ্বের শীর্ষ দশে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) রাজনীতিতে অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক সমতা, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে নারীর উন্নয়নে একটি আদর্শ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ডব্লিউইএফের গবেষণা মূল্যায়নে কেবল নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের বিচারে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক বড় দেশকে পেছনে ফেলে এসেছে। রাজনীতিতে লিঙ্গবৈষম্য হ্রাস করে আঞ্চলিক নেতৃত্বে সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ মর্যাদাপূর্ণ ওমেন ইন পার্লামেন্টস (ডব্লিউআইপি) গ্লোবাল ফোরাম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে। এসব মূল্যায়নের কারণ-প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। কাজেই বাংলাদেশের নারীরা এখন শুধুই নারী হিসেবে নয়-তাদের মূল্যায়ন নক্ষত্রতুল্য। রাজনীতিতে নারীর বর্ধিত অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য ইউনিয়ন কাউন্সিল ও উপজেলা পরিষদে এবং পৌরসভায় সংরক্ষিত নারী আসন এক-তৃতীয়াংশে উন্নীতকরণ এবং সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।

নারীশিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালে জাতিসংঘের অন্যতম বিশেষায়িত সংস্থা ইউনেসকো কর্তৃক বিশেষ স্মারক ‘ট্রি অব পিস’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফরচুন বিশ্বের মহান ৫০ জন নেতার তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, সেনাবাহিনীসহ আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে উচ্চপদগুলোতেও নিযুক্ত হচ্ছেন নারীরা। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নারীরা প্রশাসনের সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত হচ্ছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্ববাসীর বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনায় নারীরা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। আধুনিক বিশ্বের উপযোগী হয়ে নারীরা সাংবাদিকতায় অকুতোভয় ভূমিকা রাখছেন। প্রথমবারের মতো দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। বুয়েটের প্রথম নারী উপাচার্য হয়েছেন খালেদা একরাম। দেশের প্রথম নারী বিচারপতি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন নাজমুন আরা সুলতানা। দেশের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নাজনীন সুলতানা নারীসমাজের কৃতিত্বকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পুলিশ সপ্তাহের প্যারোডে নেতৃত্ব দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। দেশে প্রথম নারী ছত্রীসেনা হিসেবে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌস সফলভাবে এক হাজার ফুট উঁচু থেকে অবতরণের সম্মান অর্জন করেন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারীরা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন জাহাজে মেরিন অফিসার পদে যোগ দেন। দেশের প্রথম নারী ট্রেনচালক হিসেবে উম্মে সালমা সিদ্দিকার পথ ধরে বর্তমানে রেল চালনায় যোগ দিয়েছেন ১৫ জন নারী। বন বিভাগের বিশাল সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা, বন্যপ্রাণীসহ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রেখে প্রথম ‘ওয়াংগারি মাথাই’ পুরস্কার অর্জন করেন খুরশিদা বেগম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফা ইসহাক হয়েছেন ‘জাতীয় পরিবেশ অলিম্পিয়াড-২০১২’-এর ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য চ্যাম্পিয়ন্স’ হন। নারীদের অগ্রযাত্রায় এমন সফলতার কাহিনি বলে শেষ করা যাবে না। জয়তু বাংলার নারী।

লেখিকা : কবি ও শিক্ষিকা

"