রংপুর-২

একই আসনে চাচা ভাতিজার লড়াই

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০৭

বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। রংপুরের ৬টি আসনের মধ্যে অন্যতম একটি আসন ববদগঞ্জ-তারাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-২ আসন। যাচাই-বাচাই শেষে গত সোমবার এ আসনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী ১০ প্রার্থীর মাঝে প্রতিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 
তাদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছে আ.লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত বদরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি ও বর্তমান এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক (নৌকা) ও জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান সাবলু চৌধুরী (লাঙ্গল)। সাবলু চৌধুরীর চাচাতো ভাই প্রয়াত মরহুম আব্দুল মমিন চৌধুরীর ছেলে হলেন ডিউক চৌধুরী। সম্পর্কে সাবলু চৌধুরীর ভাতিজা ডিউক চৌধুরী। ভোটের মাঠে একই পরিবারের চাচা-ভাতিজার লড়াই হবে এ আসনে ভোটারদের মাঝে বাড়তি উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। 
উপজেলা আ.লীগের সম্পাদক আলহাজ্ব টুটুল চৌধুরী বলেন, আ.লীগ সরকার বরাবরই জনগণের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের জনগণ নৌকা মার্কার পক্ষে রায় দেবে বলে আশা রাখছি। এ আসনে চাচা-ভাতিজার লড়াইয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনী মাঠে পিতা-পুত্রের মধ্যে ভোট যুদ্ধ হচ্ছে সেখানে চাচা-ভাতিজা কোনো বিষয় নয়। এদিকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সম্পাদক ওবাইদুল হক জানান, রংপুরের মানুষ বরাবরে জাতীয় পার্টিকে ভোট দিয়েছেন। আশা করি এবারো তারা জাতীয় পার্টিকে নির্বাচিত করবে।
এ আসনে ডিউক চৌধুরী ও সাবলু চৌধুরী ছাড়াও যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, সাবেক এমপি মোহাম্মাদ আলী সরকার (বিএনপি-ধানের শীষ), স্বতন্ত্র হিসাবে সাবেক এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডল (সিংহ), আসরাফ আলী (হাতপাখা), কুমারেশ চন্দ্রে রায় (মশাল), হারুন অর রশিদ (কুলা), আশরাফ উজ জামান (গোলাপ ফুল), জিল্লুর রহমান (টেলিভিশন), ওয়াসিম আহমেদ (আম)। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসনটিতে মোট ভোটার ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৬৬ জন। এর মধ্যে বদরগঞ্জ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজার ৪৪৫ জন ও তারাগঞ্জ উপজেলায় ১ লাখ ২ হাজার ৩২১জন।