চাল আমদানিতে বর্ধিত শুল্ক হিলিতে ৭ দিনে ধরে খালাস বন্ধ

২ শতাংশ শুল্কে চাল খালাসের অনুমতি চান আমদানিকারকরা

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৮, ০০:১০

এম এ আজিজ, হিলি (দিনাজপুর)

দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দরে সাত দিন ধরে আটকে থাকা ৯ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা চাল এখনো খালাস করা হয়নি। চাল আমদানিতে সরকারের শুল্ক বাড়ানোর পর থেকেই খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন এ বন্দরের আমদানিকারকরা। গত ৪ জুন বাণিজ্যমন্ত্রীর চাল আমদানিতে থাকা শুল্ক ২ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশ করার কথা সংসদে জানান। তারপর থেকে ব্যবসায়ীরা বন্দর থেকে চাল খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। বন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা জানান, শুল্ক বাড়ানোর আগে আমদানি করা চাল ২৮ শতাংশ শুল্কে ছাড় করা হলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই আগের ২ শতাংশ শুল্কে ছাড় করার দাবি জানান তারা। 
হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গেল মঙ্গল ও বুধবার ভারতীয় ৩৪৬ ট্রাকে ১২ হাজার ৪৯৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। গত বুধবার দুপুর থেকে কাস্টমসের সার্ভার সমস্যার কারণে চালসহ সব আমদানিকৃত পণ্য ছাড় নিতে পারেননি বন্দরের আমদানিকারকরা। আমনাদিকারক নেতা আরো জানান, বুধবার আমদানি করা চাল আগের নিয়মে ছাড়করণের দাবি জানিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেও সেখান থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে তা ছাড় করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। সরকার ৭ জুন থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা ৬ জুন তারিখে আমদানি করা চালগুলো ২ শতাংশ শুল্কে ছাড় করার দাবি জানাচ্ছি। 
বন্দরের বেসরকারি অপারেটর ‘পানামা পোর্টের’ ব্যবস্থাপক অসিত কুমার জানান, ৭ দিন ধরে বন্দরের ২৩৮টি ভারতীয় ট্রাকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মোট্রিক টন আমদানি করা চাল খালাসের অপেক্ষায় আটকে আছে। শুনেছি সরকার চালের ওপর বিদ্যমান থাকা শুল্ক ২ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এ কারণে ব্যবসায়ীরা চাল খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। হিলি স্থলবন্দরের ডেপুটি কমিশনার মো. রেজভী আহম্মেদ জানান, ৭ জুনের পর কোনো আমদানিকারক চালের ছাড়পত্রের জন্য আসেনি। তাই খালাস কার্যক্রম বন্ধ আছে।