শিরোপার ছোঁয়া পেতে ইংলিশদের দরকার ২৪২ রান

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৯, ১৮:৫৫ | আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৯, ২০:০৮

অনলাইন ডেস্ক

শুরুতেই মার্টিন গাপটিল আউট ভেবে ভো দৌড় দেন আর্চার। কিন্তু আম্পায়ার সাড়া দেননি। পরেই আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান হেনরি নিকোলাস। মনে হচ্ছিল দিনটা নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু ভাগ্য পক্ষে থাকলেও সুবিধা নিতে পারেনি কিউইরা। লর্ডসে ৮ উইকেট হারিয়ে তুলতে পেরেছে ২৪১ রান।

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের ওপেনিং জুটি হয়েছে যাচ্ছেতাই। নিজেদের প্রথম ম্যাচে কেবল একশ' ছাড়ানো জুটি পান দুই কিউই ওপেনার। আর কোনও ম্যাচে পঞ্চাশ ছাড়াতে পারেননি তারা। ফাইনাল ম্যাচেও ব্যর্থ হন মার্টিন গাপটিল। পরে হেনরি নিকোলাস ও কেন উইলিয়ামসন সেই ধাক্কা সামাল দেন। এরপর নিয়মিত উইকেট হারিয়ে চাপে কিউইরা।

ওপেনার হেনরি নিকোলাস ৫৫ রানে আউট হয়েছেন। তার আগে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা ৭৪ রান যোগ করেন। এরপর ১৫ রানের ব্যবধানে কেন এবং নিকোলাস আউট হন। রস টেইলর খেলেন ১৫ রানের ইনিংস। জিমি নিশাম করতে পারেন ১৯ রান। তার আগে মার্টিন গাপটিল ১৯ রান করে ফিরে যান। দলের রান তখন ২৯।

লর্ডসে ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনালের আম্পায়ারিং হচ্ছে চোখ কপালে তোলার মতো। ওপেনার নিকোলাস লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়লেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। গাপটিলও অবশ্য পরেরবার লেগ বিফোর হলে রিভিউ নিয়ে সেটা নষ্ট করেন। উইলিয়ামসন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কিন্তু আম্পায়ার ধর্মসেনা তাকে আউট দেননি। পরে রিভিউ নেয় ইংল্যান্ড। ফিরে যেতে হয় কেনকে। এরপর ইরাসমাস লেগ বিফোর আউট দেন রস টেইলরকে। কিন্তু তার বল স্পাম্প মিস করে ওপর দিয়ে চলে গেছে।

ইংল্যান্ডের উইকেটে শুরুতে পেসাররা সুবিধা পায়। কিন্তু শুরুতে ব্যাট করাও সহজ। পরে উইকেট স্লো হলে রান করা কঠিন। লর্ডসে আবার আগের চার বিশ্বকাপের ফাইনালের তিনটিতে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে। টস জিতে তাই ব্যাটিং নেন কেন উইলিয়ামসন।

ভোরে লন্ডনে বৃষ্টি হয়। যার কারণে ১৫ মিনিট দেরিতে টস হয়েছে। তবে সকাল থেকেই আকাশে রোদ খেলছে। উইকেট শক্তই আছে। তবে ঘাস শুরুর দিককার উইকেটের চেয়ে একটু বেশি।নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে আন্ডারডগ মনে করা হচ্ছে। রস টেইলর মনে করেন এটা ভালোই হয়েছে। চাপহীনভাবে খেলতে পারবে তারা।

পিডিএসও/রি.মা