আইসিসির টাকার খনি

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:৩৫ | আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:৫৬

অনলাইন ডেস্ক

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নয় এবার চ্যাম্পিয়নস কাপ নামে নতুন টুর্নামেন্ট নিয়ে আসতে চায় আইসিসি। সেটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই সংস্করণেই। ২০২৩-২০৩১ সম্প্রচার বর্ষচক্রে টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নস কাপ আয়োজন করতে চায় আইসিসি। শুধু ছেলেদের নয়, মেয়েদের জন্যও টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সংস্করণে চ্যাম্পিয়নস কাপ আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে আইসিসি।

র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ১০টি দল মিলে এ টুর্নামেন্টে খেলবে মোট ৪৮টি ম্যাচ—যা গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে সবগুলো ম্যাচের সমান। আইসিসির এ পরিকল্পনা নিয়ে বেশ বিতর্কও হচ্ছে। কেননা, নতুন বর্ষপঞ্জিতে নতুন টুর্নামেন্ট নিয়ে আসা নিয়ে আইসিসির সঙ্গে ধনী সদস্য দেশগুলোর যে বিরোধ চলছিল সেটি এই চ্যাম্পিয়নস কাপ নিয়ে, জানিয়েছে ক্রিকইনফো

আইসিসির প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২০২৪ এবং ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নস কাপ। ওয়ানডে চ্যাম্পিয়নস কাপ হবে ২০২৫ ও ২০২৯ সালে। এর পাশাপাশি থাকছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (২০২৬ ও ২০৩০) এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপ (২০২৭ ও ২০৩১)। ওয়ানডের চ্যাম্পিয়নস কাপ হবে আগের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতোই। তবে এটির ব্যাপ্তি হবে কম। ৬টি দল নিয়ে ১৬টি ম্যাচ আয়োজন করা হবে ওয়ানডে চ্যাম্পিয়নস কাপে। কিন্তু টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নস কাপের ম্যাচসংখ্যা এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চেয়ে বেশি।

২০২৩-৩১ বর্ষপঞ্জিতে এসব টুর্নামেন্ট আয়োজনে আগ্রহী পূর্ণ সদস্য দেশগুলোকে আবেদনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থা। আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু স্বাওনের যুক্তি, ছোট দেশগুলোর জন্য আয়ের ধারা ঠিক রাখতে প্রতি বছর অন্তত একটি আইসিসি টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে হবে।

তবে বিসিসিআই, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আইসিসির এ পরিকল্পনায় নাখোশ হতে পারে। ধনী এ তিনটি বোর্ড নিজেদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ফাঁকা সূচি রাখার দাবি করে আসছিল। নিজেদের আয়ের ধারা ঠিক রাখতে এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তিনটি বোর্ড। আইসিসির প্রস্তাবিত এ সূচি ঠিক থাকলে এ তিনটি দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার জন্য সময়-সূচি বের করা কঠিন হবে।

আইসিসির চাওয়ার দরপত্রে রাজস্ব আয়ের শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইভেন্টে আয়োজক দেশ টিকিট, হসপিটালিটি ও কাটারিং থেকে রাজস্ব আয় করতে পারবে। এর বাইরে বাণিজ্যিক ও সম্প্রচার স্বত্ব থেকে সমুদয় রাজস্ব পাবে আইসিসি।

পিডিএসও/রি.মা