ভারতকে ১৫৪ রানের টার্গেট বাংলাদেশের

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৩

অনলাইন ডেস্ক

শুরুটা দুর্দান্ত হলেও শেষটা তেমন চমকপ্রদ হলো না বাংলাদেশের ইনিংসে। ভক্তদের প্রত্যাশা ছিলো প্রায় ২০০ কাছাকাছি রান। সেই লক্ষ্যে শুরুটাও করেছিল বাংলাদেশের দুই ওপেনার। কিন্তু ছন্দপতনে সেই আশায় বাধ ভাঙে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ভারতকে সমতায় ফিরতে ১৫৪ রান করতে হবে।

৪ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

আজ আর সৌম্য-মুশফিক জুটি বড় হয়নি। যুজবেন্দ্র চাহালের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার তালুবন্দি হন প্রথম ম্যাচের হিরো মুশফিক (৪)। ১৩তম ওভারে একশ ছাড়ায় টাইগারদের স্কোর। বিধ্বংসী মেজাজে খেলতে থাকা সৌম্য চাহালের বলের টাইমিং মিস করে স্টাম্পড হয়ে যান। ২০ বলে ২ চার ১ ছক্কায় তার সংগ্রহ ৩০ রান। তার আউট নিয়েও নাটক হলো। তৃতীয় আম্পায়ার আগে 'নট আউট' এর ভুল ঘোষণা দিয়ে আবারও 'আউট' ঘোষণা করেন!

শেষ খবর হলো বাংলাদেশ ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৪ রান।

২ বার জীবন পেয়েও ফিরলেন লিটন

রিশভ পান্তর কাঁধে কিসের ভূত যেন চেপে বসেছে। দিল্লিতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে ভুল ডিআরএস নিতে প্রলুব্ধ করায় সমালোচনার শিকার হন ভীষণ।

বৃহস্পতিবার রাজকোটে দ্বিতীয় ম্যাচে আরেকটি বাচ্চাসুলভ ভুল করলেন পান্ত। স্টাম্পের সামনে থেকে বল ধরতে গিয়ে জীবন দিয়ে বসলেন বোকার মতো আউট হতে যাওয়া লিটন দাসকে।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারের ঘটনা। ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিটি ডাউন দ্য উইকেট খেলতে গিয়ে অনেকটাই এগিয়ে এসেছিলেন লিটন। উইকেটকিপার পান্ত সেই বল ধরে স্টাম্পও ভেঙে দেন।

লিটনও তখন সাজঘরের পথ ধরছেন। কিন্তু আম্পায়ার বললেন, তাকে দাঁড়াতে। আর রিপ্লেতে দেখা গেল পান্তের ভুলটা। তৃতীয় আম্পায়ার নটআউট ঘোষণা করেন লিটনকে।

কিন্তু লিটন ইনিংসটা আর বড় করতে পারেননি। ২৯ রানের মাথায় সতীর্থের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়ে ফিরেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭৮ রান।

নাঈম তাণ্ডবে দুর্দান্ত শুরু

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার করতে আসা পেসার খলিল আহমেদের প্রথম তিন বলে মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাটে দর্শনীয় চারের হ্যাটট্রিকসহ ওভারে ১৪ রান তোলে বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫ ওভারে ৪১ রান তোলে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও নাঈম।

বাংলাদেশ একাদশ : লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, আফিফ হোসেন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলাম।

ভারতীয় একাদশ : রোহিত শার্মা, শেখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, স্রেয়াশ আয়ার, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), শিভাম দুবে, ক্রুণাল পাণ্ডিয়া, ওয়াশিংটন সুন্দর, দীপাক চাহার, খলিল আহদেম, যুজবেন্দ্র চাহাল।