টেস্টে আফগানদের প্রথম জয়

প্রকাশ | ১৮ মার্চ ২০১৯, ১৩:৩৯

অনলাইন ডেস্ক
জয়ের পর উদযাপন করছেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা

২০১০ সালে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ, ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৭ সালে আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভের পর ভারতের বিপক্ষে গেল বছর অভিষেক টেস্টে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। ওই ম্যাচটিতে একতরফা হারতে হয়েছিল আফগানদের৷ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নেমে প্রথমবার টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি৷

টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান দু’দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচ হেরেছে। আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম টেস্ট হারে পাকিস্তানের বিপক্ষে। এবার মুখোমুখি সাক্ষাতে আইরিশদের পর্যুদস্ত করেছে আফগানিস্তান। দেরাদুনের রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয়টি এসেছে সাত উইকেটে। প্রায় দেড় দিন হাতে রেখেই। 

এর আগে শুক্রবার টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে আয়ারল্যান্ড। এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান টিম মুর্তাঘের হাফসেঞ্চুরিতে (অপরাজিত ৫৪) ভর করে আইরিশরা প্রথম ইনিংসে ১৭২ রান তোলে। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ৩১৪ রানে। রহমত শাহ মাত্র দু’রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন। এছাড়া হাফসেঞ্চুরি করেন হাশমতুল্লাহ শহিদী (৬১) ও আসগর আফগান (৬৭)।

১৪২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ড ২৮৮ রান তুলে অলআউট হয়ে যায়৷ অ্যান্ডি বলবির্নি ৮২ রান করেন৷ কেভিন ও’ব্রায়েন ৫৬ রানের যোগদান রাখেন৷ 

প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করা এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান মুর্তাঘ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭ রান করেন। প্রথম ইনিংসে ২টি উইকেট নেয়া রশিদ খান দ্বিতীয় ইনিংসে ৮২ রানের বিনিময়ে ৫টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৪৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শেষ ইনিংসে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তান তৃতীয় দিনের শেষে ১ উইকেটের বিনিময়ে ২৯ রান তুলেছে।

চতুর্থ দিন খেলেতে নেমে ঠাণ্ডা মাথায় ব্যাট চালিয়ে যান আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান। জয়ের জন্য দরকার মাত্র তিন রান। ঠিক তখনই ধৈর্য হারিয়ে ক্যামেরন-ডোয়ের বলে স্ট্যাম্পিং হন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি মিস করা রহমত শাহ। ১২২ বলে ৭৬ রান করে ফেরের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

এক বল পড়েই তাড়াহুড়ো করে প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউট হন দলটির সবচেয়ে অভিজ্ঞ সদস্য মোহাম্মদ নবী। যদিও নতুন ব্যাটসম্যান হাশমতুল্লাহ শহিদী নিজের প্রথম বলেই চার তুলে ঐতিহাসিক ম্যাচটির সাক্ষী বনে যান। অন্যপ্রান্তে ৬৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন ইহসানুল্লাহ।

পিডিএসও/হেলাল