পুঁজিবাজারে ১০ হাজার কোটি টাকা তহবিলের রূপরেখা জমা

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৩৫ | আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৪৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুঁজিবাজারের জন্য স্বল্প সুদে বিশেষ তহবিল সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব আরও একধাপ এগিয়েছে। বুধবার প্রাতিষ্ঠানিক ব্রোকারদের (ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান) পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত তহবিলের একটি রূপরেখা অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রস্তাবনা অনুসারে, আলোচিত তহবিলের আকার হতে পারে ১০ হাজার কোটি টাকা। তহবিলের মেয়াদ হবে ৬ বছর। প্রস্তাবিত সুদের হার ৩ শতাংশ। প্রথম ২ বছর হবে গ্রেস পিরিয়ড। এ সময়ে তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হবে না। পরবর্তী চার বছরে তা সুদ-আসলে ফেরত দেওয়া হবে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, শুধু সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগের জন্য এই তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। আর এই সুবিধা ব্রোকারহাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সব মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বৈঠকে ব্রোকাররা বাজারে তারল্য বাড়াতে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করার প্রস্তাব দিলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বিস্তারিত ও লিখিত প্রস্তাবনা দেওয়ার আহ্বান জানান। তার প্রেক্ষিতেই আজ তাদের পক্ষ থেকে আলোচিত প্রস্তাবনাটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ, পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট কাটানো ও এখানে গতি ফেরানোর লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সঙ্গে গত ২০ নভেম্বর নেতৃস্থানীয় ৭ জন ব্রোকার বৈঠক করেন।

তারা হচ্ছেন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রেসিডেন্ট মোঃ রকিবুর রহমান,  মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও ইবিএল সিকিউরিটিজের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক  ছায়েদুর রহমান, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন,  ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস, সিটি ব্রোকারেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দিন আফফান ইউসুফ ও এআইবিএল ক্যাপিটালের পরিচালক মোঃ রেজাউর রহমান।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছায়েদুর রহমান গণমাধ্যমকে প্রস্তাবনা পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পিডিএসও/তাজ