বিএনপি কোন কাজটা করছে, প্রশ্ন মতিয়া চৌধুরীর

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২০, ০৯:৪৪ | আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ১০:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বিএনপিকে বিনয়ের সঙ্গে জিজ্ঞাসা করতে চাই, বিএনপি কী করছে? কোন কাজটা করছে তারা বলুক! উপদ্রুত এলাকায় যান। আওয়ামী লীগের কর্মীরা কি ঘুমাইয়া আছে? আওয়ামী লীগের কর্মীরা কি এলাকা ছেড়ে দিয়েছে? দেখেন, তারা তাদের সকল শক্তি নিয়ে জনগণের পাশে আছেন।

বুধবার বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনির্ধারিত বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ত্রাণ ও সমাজক্যালণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী ও উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস দুর্যোগ ও বন্যাকবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষের সহায়তার কোনো কমতি নেই। সরকার, স্থানীয় জনপ্রিতিনিধি এবং দলের নেতাকর্মীরা অসহায় মানুষের পাশে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত পরশুদিন রাতে আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে আসলাম। দেখলাম সেখানে নির্বাচিত জনপ্রিতিনিধি তৃণমূল পর্যায়ে আছেন, তারা রীতিমতো বলছেন যে, আমরা ত্রাণ দিতে দিতে হাঁপায়া উঠছি। আমি এক তরফা বক্তব্য শুনি নাই। আমি আবার যারা ত্রাণগ্রহীতা তাদেরও জিজ্ঞাসা করলাম, কি অবস্থা? বললেন, নাগো আপা খাওয়ার কোনো কষ্ট নাই।

আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা ত্রাণ কার্যে অংশ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সারাদেশে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সেবার করার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে কাজ করছে। এখানে বিএনপি বা অন্য দলের জনপ্রতিনিধি হিসাবে কাউকে আলাদা করে দেখা হচ্ছে না। সবাইকে সমানভাবে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। এটাই আওয়ামী লীগের দর্শন, এটাই আজকে প্রতিষ্ঠিত।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আমরা এখন একটি নতুন পরিস্থিতিতে মুখোমুখি হয়েছি। একদিকে করোনা, আরেকদিকে বন্যাকবলিত এলাকা। বন্যায় প্লাবিত হয়েছে দেশের একটি বিশাল অঞ্চল, আমরা বসে নেই। আমরা একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা এই করোনার ভয়কে জয় করে এই বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে দাঁড়ানো শুরু করে ধানকাটার মহোৎসবও কাজ করেছি। আমরা বন্যাকবলিত এলাকায় প্রতিদিন যোগাযোগ করছি। আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গেই শুধু যোগাযোগ করছি না, আমাদের দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষেরা ঈদ উদযাপন করতে পারছেন না, আমরা তাদের প্রতি সমবেদনা জানাই। আমরা দোয়া করি, যাতে উজানের পানি অচিরেই নেমে যায় এবং তাদের কষ্ট লাঘব হয়।

পিডিএসও/হেলাল