নির্বাচনী পরিক্রমা : ওয়ার্ড-১৬ ঢাকা

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ২০:১১

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্তর্গত ১৬ নং ওয়ার্ড কাফরুলে অবস্থিত। এই ওয়ার্ডে নেই কোনও খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার , কবরস্থান, ডাকঘর কিংবা অ্যাম্বুলেন্স-ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি চলাচলের জন্য প্রশস্ত রাস্তা। ক্যান্টনমেন্ট পাশে থাকার কারণে সিট মহলের মত অবস্থা। তাই স্থানীয়দের বিকল্প সড়কের দাবি দীর্ঘদিনের। তাছাড়া পানীয় জলের তীব্র সংকট, মাদক, কিশোর গ্যাং ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদে নামে চলে অবৈধ চাঁদাবাজী।

এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মতিউর রহমান। তার নির্বাচনী প্রতীক ব‍্যাডমিনটন। তিনি গত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে জিতেছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বর্তমান মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম কৃক। গত নির্বাচনেের আগে মাহমুদার উপর একাধিক বার হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলার জন‍্য মাহমুদা বর্তমান কাউন্সিলরকেই দায়ী করছেন। এবার সেই বিদ্রোহী প্রার্থীকেই দল থেকে মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় এলাকার উন্নয়ন নজড়ে আসেনি। কোরবানির হাট কিলার আব্বাসের স্ত্রী হামিদা এন্টারপ্রাইজের নামে ইজারা নিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারার কারণে ইমেজ সংকটে রয়েছে।

মাঠে শক্ত অবস্থানে আছেন আজিজুর রহমান স্বপন। তার প্রতীক ঠেলা গাড়ী। দলমত নির্বিশেষে ব‍্যাপক সাংগঠনিক ক্ষমতা ও গ্রহণযোগ‍্যতার কারণে এমনকি ব‍্যক্তিগত ইমেজ ও বামপন্থী দলগুলোর পূর্ণ সমর্থনের কারনে পছন্দের শীর্ষ রয়েছেন তিনি।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন হাবিবুর রহমান রাব্বি। প্রতীক ঘুড়ি। তিনি কাফরুল থানা যুব দলের সাধারণ সম্পাদক। ব‍্যাপক পরিচিতি না থাকলেও দলীয় মনোনয়নের কারণে সুবিধা জনক অবস্থানে আছেন। তরুণ যুবকদের নিয়ে  মাঠে শক্তভাবে নেমেছেন।

এ ছাড়া সৈয়দ একরাম হোসেন বাবুল মাঠে রয়েছেন। তার নির্বাচনী প্রতীক রেডিও। তিনি কাফরুল থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। বিদ‍্যুৎ, আজাদ হত‍্যা ও নুরুল ইসলাম বাবুর পা কাটা মামলার আসামি থাকায় ইমেজ সংকটের কারণে হাবিবুর রহমান এগিয়ে আছেন। মতিউর রহমান, আজিজুর রহমান  ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে এই শীতের মাঝে ভোটের মাঠ গরম হয়ে আছে।

পিডিএসও/রি.মা