রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে ভারত যাননি দুই মন্ত্রী : কাদের

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:৪৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত সফরে যাননি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এখানে বয়কটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভারতের সঙ্গে কোনো সমস্যা হলে, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে। ভারত একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। দেশটির পার্লামেন্টে কোনো কিছু পাস হলে, সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। 

শুক্রবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটউশনে প্রত্যাগত আওয়ামী ফোরামের প্রথম সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বাঙালি চার নারীর জয়ের সংবাদকে বিজয়ের মাসের বড় খুশির খবর বলেন ওবায়দুল কাদের। তাদের অভিনন্দনও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এনআরসি (নাগরিকপঞ্জি) ও ক্যাব (নাগরিকত্ব আইন) ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ দুটি বিষয় তাদের সংসদে পাস হয়েছে। এ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ইস্যুতে যে বক্তব্য দিয়েছে তার সঙ্গে আমিও একমত। শেখ হাসিনার সরকারই ‘৭৫ পরবর্তী একমাত্র মাইনরিটি বান্ধব সরকার। গত ৪৮ বছরে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উজ্জ্বল উদাহরণ। মাঝে মধ্যে দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়তো ঘটে। এত বড় দেশ, এত মানুষের বসবাস, সেখানে ভালো মানুষের পাশাপাশি দুর্বৃত্ত আছে। দুর্বৃত্ত আছে বলেই শুদ্ধি অভিযান চলছে। 

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে কোনো বিষয়ে সমস্যা হলে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমার সমাধান করব। জাতীয় স্বার্থের কোনো বিষয় ক্ষুণœ হলে সেটা পরস্পর আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সমাধান করব। আমি যতটুকু জেনেছি বুদ্ধিজীবী, বিজয় দিবসের ব্যস্ততার কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফর স্থগিত করেছেন। তারা পরবর্তী সময়ে যাবেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নির্যাতন বলতে যেটা বুঝায়। তা ঘটেছিল ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর। তখন এ দেশে হিন্দুদের ওপর, সংখ্যালঘুদের ওপর যে বর্বরতা, যে নির্যাতন তার ‘৭১-এর বর্বরতার সঙ্গে মিলে যায়।

পিডিএসও/তাজ