৫২ নং ওয়ার্ড যুবলীগ

প্রচার আছে ২ জনের, প্রত্যাশী অনেক

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০১৯, ১১:৪৬ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৯, ১৬:৫৬

বদরুল আলম মজুমদার

ঢাকা উত্তর সিটির নতুন গঠিত ৫২ নং ওয়ার্ড কমিটি পেতে অনেকেই কাজ করলেও প্রচার আছে দুজনই পাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ। উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাইনূল হোসেন খান নিখিলের প্যানেল থেকে সোহেল মিয়া সভাপতি আর নগর সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেনের প্যানেল থেকে শেখ শাহ আলম আহমেদ আকাশ সাধারণ সম্পাদক পদে আসছেন একটি জোরালো প্রচার স্থানীয় যুবলীগে থাকলেও এর বাইরেও শক্তশালী পদপ্রত্যাশীর আলোচনা শোনা যায়। তবে অনেকে বলছেন, এখনো যেহেতু কমিটি ঘোষণা হয়নি তাই কে পাচ্ছেন এ ওয়ার্ডের দায়িত্ব তা দেখতে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। রাজধানীর তুরাগের অন্য দুটি ওয়ার্ড থেকে এখানে রাজনৈতিক পরিবেশটা একটু ভিন্ন। স্থানীয় প্রার্থীদের সাথে সমান তালে পাল্লা দিয়ে অন্য প্রার্থীরাও শক্তিশালী অবস্থান নিতে পেরেছেন।

সোহেল-আকাশ কমিটি—এমন প্রচারণার বাইরেও ভালো অবস্থান নিয়ে আছেন আবদুছ সালাম কাইয়ুম এবং তারই আত্মীয় স্বপন পারভেজ। এরা দুজনই সভাপতি পদে জোর প্রতিদ্বন্ধিতায় উঠে এসেছেন। তবে স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ওয়ার্ডে সভাপতি পদে অনেকের থেকেই এগিয়ে আছেন সোহেল। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পদ বাগিয়ে আনার সক্ষমতা দেখাতে পারেন কাইয়ুমও। তবে নতুন করে উঠে আসা স্বপন পারভেজ কতটা এগিয়ে যেতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন আছে অনেকের।

সভাপতি বাইরে সাধারণ সম্পাদক পদে শাহ আলম আকাশ অনেকটা নির্ভার আছেন। তার প্রতিদ্বন্ধীরা অতটা শক্তিশালী অবস্থান নিতে না পারায় তিনি পদপ্রাপ্তিতে সবার থেকে এগিয়ে থাকছেন বলে শোনা যায়। তবে একটি পক্ষ বলছে, কমিটি না দেওয়া পর্যন্ত আকাশই আসছেন এমনটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। এদিকে আকাশের পক্ষে লোকজন মনে করছেন, সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে ততবেশি বেগ পেতে হবে না তাকে। স্থানীয় নেতাসহ নগরের শক্তিশালী লবিং তাকে অনেকটাই এগিয়ে রাখছে অনেকের থেকে।

এ বিষয়ে আকাশ প্রতিবেদককে বলেন, অনেক বছর থেকে ৫২ নং ওয়ার্ড কেন্দ্রিক যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছি। দলের সিনিয়র নেতারা যখন যা নির্দেশ দিয়েছেন তা পালন করেছি। তাছাড়া এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার ওয়ার্ডে নৌকার পক্ষে যে ধরণের ভূমিকা রাখার দরকার ছিল তা রেখেছি। নিজের ব্যবসা বাণিজ্য আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যুবলীগকে ব্যবহার করে কোনোরকম সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা কখনো করি না, ভবিষ্যতেও করবো না।

এ ওয়ার্ডের সভাপতি প্রার্থী তিনজনের মধ্যে সবচেড়ে প্রবীণ হচ্ছেন কাইয়ুম, তিনি অনেক বছর থেকেই নিজেকে যুবলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে রেখেছেন। তার মতে, যেহেতু এ এলাকার যুবলীগের রাজনীতির সব ছেড়ে প্রবীণ সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তাই দলও তাকে মূল্যায়ন করবে বলে আশা তার। সঠিক বিচার বিশ্লেষণ করে পদায়ন করা হলে তিনিই হবেন একমাত্র যোগ্য প্রার্থী।

দলের অপর সভাপতি প্রার্থী সোহেল মিয়া গত সিটি নির্বাচনে এ ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলেও প্রার্থী হিসেবে তিনি যথেষ্ট সাড়া জাগাতে পেরেছেন। এ দিক থেকে তিনি এ ওয়ার্ডে সভাপতি পদের জন্য নিজেকে একধাপ এগিয়ে রেখেছেন বলে অনেকেই মনে করনে। এ দিক থেকে সভাপতি প্রত্যাশী সোহলেও বেশ আশাবাদী।

পিডিএসও/হেলাল