সিটির ৫৩ ওয়ার্ডে প্রার্থী কম থাকায় আশা বেশি

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৯, ২১:২২

বদরুল আলম মজুমদার

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ওর্য়াড কমিটি গঠনের কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে। সহসা কমিটিগুলোর কাজ শেষ করতে নির্দেশনা আছে দলের উচ্চপর্যায় থেকে। সামনের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠনের কাজ শেষ করার তাগিদ রয়েছে মূল দল থেকে।

তাছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে দুই সিটির নির্বাচনকে সামনে রেখেও সংগঠনগুলোর কমিটি গঠনের চাপ বাড়ছে। দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, নেতৃত্ব তাদের হাতেই দেওয়া উচিত; যারা দলের হয়ে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছেন। নতুন আগন্তুক কাউকে সুযোগ সুবিধার বিনিময়ে পদায়ন করা হলে তা হবে আত্বঘাতী। 

এই ওয়ার্ডে যুবলীগের পদ পেতে কমবেশি চারজনের নাম শোনা গেলেও অনেকে এরইমধ্যে হাল ছেড়ে দিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তারা বলছেন, কমিটি গঠনের আগে আরো নতুন প্রার্থীরও আগমন ঘটতে পারে। পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডগুলোতে এমন ঘটনা ঘটছে বলে অনেকেরই এমন আশঙ্কা। এরকমটা ঘটলে এবং পদ বাগিয়ে নিলে, তা হবে রীতিমতো হতাশার। যারা দীর্ঘদিন থেকে দলের জন্য কাজ করছেন তারা যদি ছিটকে পড়েন তাহলে রাজনীতির প্রতি আস্থাহীনতাও তৈরি হতে পারে। 

৫৩ নং ওয়ার্ডে সভাপতি পদ প্রত্যাশী যুবনেতা মাসুদ রানা জালাল প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আমি ১৯৯৮ সাল থেকে তুরাগ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি। দলের সুখ দুঃখে নিজের অনেক কিছুকেই বিসর্জন দিয়েছি। দুই বছর আগে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও এখনো আমরা কমিটি পাইনি। পদ পাওয়ার ব্যাপারে সিনিয়র নেতাদের আস্থার কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, অন্য ওয়ার্ডের চেয়ে এখানে প্রতিযোগিতাটা একটু কম। তারপরও আমরা আশাবাদী। দল আমাদের মূল্যায়ন করবে। 

এ ওয়ার্ডের অপর সভাপতি প্রার্থী তৈয়বুর রহমান। দলের নিবেদিত কর্মী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। নগরের নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তার ব্যক্তি যোগ্যতা বলেই বারবার প্রমাণিত হয়েছে। এর বাইরে তার পিতা এলাকার একজন জনপ্রিয় মেম্বার হিসেবে সকলের নিকট বেশ পরিচিত। 

পদ পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এলাকায় রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। মুজিবীয় আর্দশ আমাদের ধ্যান-জ্ঞান। আমরা রাজনীতির মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভারির চেষ্ঠায় থাকি না। বাবার সম্মান এবং সম্পদ আমার রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য আর্শীবাদ বলে মনে করি। এ কারণেই দলের সর্বমহলে যথেষ্ট সম্মান ও মর্যাদা পাই। পদ নিয়েই রাজনীতি করতে হবে-এমন চিন্তাও আমাদের পরিবারের জন্য মুখ্য নয়। 

এ ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে চান মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি ২০১১ সাল থেকে তুরাগ যুবলীগের সঙ্গে জড়িত। তুরাগের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও হরিরামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হাসিম তার রাজনৈতিক গুরু। তিনি নগর সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন এর অনুপ্রেরণায় রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন।

তার ভাষায়, আমি এ পদ চাই শুধুমাত্র ইসমাইল ভাইয়ের জন্য। সে থাকলে আমি যুবলীগ করবো, না হয় নয়। স্থানীয়ভাবে আমি তুরাগ যুবলীগের আহবায়ক নিত্য চন্দ্র, যুগ্ম আহবায়ক মহিবুল হাসান ও মো. নাসিরের সঙ্গে রাজনৈতিক উঠাবসা করি। উনারাই যুবলীগের রাজনীতিতে আমার জন্য অনেক অবদান রেখেছেন। তাছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নিজেকে আইনপেশার সঙ্গে জড়ানোর ইচ্ছা আছে তার। তিনি বলেন, আপনাদের দোয়ায়, আগামী বছর আইনপেশায় নিজের নাম লেখাতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ। 

পিডিএসও/তাজ