দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি চাইলে প্যারোলে মুক্তির সুযোগ থাকে : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে চাইলেই কেবল প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে বিবেচনার সুযোগ থাকে। কাউকে তো জোর করে প্যারোল দেয়া যায় না।

শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘রূপসী বাংলা জাতীয় ফটো প্রদর্শনী ১৪২৬’ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন কোনো বেকায়দায় নেই যে, আদালতে দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে যে কোনো উপায়ে মুক্তি দিতে হবে। তিনি (খালেদা জিয়া) আদালতে দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন, আদালতে জামিন পাওয়াই তার মুক্তির পথ। এ বিষয়ে বিএনপি নেতারা কেন অবান্তর কথা বলেন, তা বোধগম্য নয়।

নির্বাচিত বিএনপির নেতাদের সংসদে যোগ দেবার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংসদে কথা বলার জন্যই দেশের জনগণ তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। সুতরাং শপথ নেয়া তাদির দায়িত্ব ও কর্তব্য। তারা রাজপথে যে কথা বলছেন, সেটা তারা সংসদে গিয়ে বলার সুযোগ পাবেন। কারণ তাতে বিএনপিরই মঙ্গল। এ সময় বিএনপির নির্বাচিত নেতাদের সংসদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় রিপোর্টার্স স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্সের বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ৪ ধাপ পিছিয়েছে এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ র‌্যাঙ্কিং প্রত্যাখ্যান করে বলেন, দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি সরকার সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, আরও করবে।

গত দশ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ বছরে পত্রিকার সংখ্যা ৬০০ থেকে দ্বিগুণ বেড়ে ১২০০ হয়েছে, টেলিভিশনের সংখ্যা ৩ গুণ বেড়েছে এবং সংবাদগুলোকে কোনো সেন্সরের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না। দেখা যাবে, অন্য সংস্থার র‌্যাঙ্কিংয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ভালো।

‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধনী সভায় তথ্যমন্ত্রী নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, দলীয় কাজে তথ্যচিত্র নির্মাণ করার সময় জনগণের ওপর বিএনপির পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ ও নানা অত্যাচারের সাক্ষী আলোকচিত্রগুলো আমাকে বহুবার কাঁদিয়েছে। ফটোসাংবাদিকরা কালের সাক্ষ্য ধারণ করে রাখছেন।

পিডিএসও/তাজ