শপথ নিয়ে যা বললেন মোকাব্বির খান

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৫২

অনলাইন ডেস্ক

অনেক জল ঘোলা করার পর অবশেষে সুলতান মনসুরের মতো দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নে নির্বাচিত গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার সংসদ কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মোকাব্বির খানকে শপথ পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিব জাফর আহমেদ খান।

শপথ নেওয়ার পর মোকাব্বির খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। আপনারা জানেন ঐক্যফ্রন্ট আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ার পরে যিনি মনোনীত হয়েছিলেন, উনাকে আমি আশীর্বাদ জানিয়ে ইংল্যান্ডে চলে গিয়েছিলাম। উনি মনোনয়ন পাওয়ার পরে আইনি জটিলতায় উনি নির্বাচন করতে পারেননি। তখন আমার দল (গণফোরাম) আমাকে বারবার ফোন করেছে। আমি আমার দলের অনুরোধে এসেছিলাম এবং এটাকে সৌভাগ্য বলেন আর যেটাই বলেন আমার মনোনয়নটা আমি উইথড্র করতে পারিনি। আর এই না পারাটা সৌভাগ্যের ব্যাপার ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মধ্যে খুব আফসোস ছিল যে আমি নিজেই আমার ভোটটা দিতে পারবো না। আমার নামে একটা প্রতীক বরাদ্দ হয়ে গেছে। সেটা আমি আমার ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেটাই হয়তো আমার নিয়তি।’

শপথ যখন নিলেন এত দেরি করে কেন নিলেন-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘আপনারা জানেন, পরে শপথ নেওয়ার কারণটা হলো-আমাকে একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়েছে। আমার দলের মধ্যে একটা ঐক্যমত্য সৃষ্টি করতে হয়েছে। দলীয় একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। যার কারণে আমাকে দেরি করতে হয়েছে।’

কিন্তু গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, দলীয় ফোরামে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে ৭ মার্চ শপথ নেয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ৬ মার্চ সন্ধ্যায় সিদ্ধান্ত পাল্টান মোকাব্বির খান। দলীয় চাপের মুখে তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। তবে ওইদিন অর্থাৎ ৭ মার্চ শপথ নেন গণফোরামের আরেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ।

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে গণফোরামের প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোকাব্বির খান। তিনি সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হন।

পিডিএসও/রি.মা