কাল কি আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া?

প্রকাশ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৪১ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:৪৪

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে বুধবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য আছে। অন্য মামলায় কারাগারে থাকা সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী এদিন কি আদালতে হাজির হবেন বা কারাকর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে হাজির করতে পারবেন? এই প্রশ্ন জনমনে দেখা দিয়েছে।

কারণ গত ৫ সেপ্টেম্বর তিনি নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে স্থাপিত নবগঠিত অস্থায়ী আদালতে হাজির হয়ে অসুস্থতার কথা বলেন এবং যা ইচ্ছা, যত ইচ্ছা সাজা দিতে বলেন। এছাড়া তিনি বারবার আদালতে আসতে পারবেন না বলেও জানান। এ কারণেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে, বুধবার তিনি আদালতে হাজির হবেন কি না?

এ সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, ‘এখন আদালত তার (খালেদা জিয়া) ঘরের পাশেই। তিনি যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন তবে আদালতে আসবেন। আমরা আশা করি তিনি আসবেন।’

তবে এ সম্পর্কে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সব সময়ই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি অনেক অসুস্থ তা আপনারা গত ৫ সেপ্টেম্বর তার মুখ থেকেই শুনেছেন। তাই আশা করি কারাকর্তৃপক্ষ তাকে জোর করে আদালতে উপস্থিত করবেন না।’

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান ওই মামলার বিচার পরিচালনা করছেন।

একই বিচারক গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সাজা দেন। এরপর থেকে অসুস্থতার কারণে অনেকগুলো ধার্য তারিখে তিনি আদালতে হাজির হননি। তাই তার অসুস্থতা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কারাগারে আদালত বসানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হওয়ার পর তা অব্যাহত রয়েছে এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে।’

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

মামলাটির অন্য আসামিরা হলেন, বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

পিডিএসও/রিহাব