তিন সিটি নির্বাচন

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, জমজমাট প্রচারণা

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৮, ১১:৪৯

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও জমজমাট প্রচারণা চলেছে। এ ছাড়া বরিশালে সুজনের আয়োজনে ‘জনতার মুখোমুখি’ হয়েছিলেন ৬ মেয়র প্রার্থী। ব্যুরো অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট : 

আরিফুলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ কামরানের : সিলেট প্রতিনিধি জানায়, সিলেটে ২০ দলীয় জোটের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। গতকাল শুক্রবার সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনারের কাছে কামরানের পক্ষে এই অভিযোগ করেন সিলেট নগর আওয়ামী লীগের বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক দিবাকর ধর রাম। এদিকে, গতকাল শুক্রবার নগরীতে দিনভর প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রার্থীরা।

সিসিক নির্বাচনের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা ‘প্রতিদিনের সংবাদ’কে বলেন, ‘আমার কাছে একটি অভিযোগপত্র এসেছে। অভিযোগপত্রের সঙ্গে প্রমাণস্বরূপ একটি স্থিরচিত্র সংযুক্ত করা আছে। আমরা তা খতিয়ে দেখছি।’ প্রমাণিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী, একজন মেয়র প্রার্থী তার মাইকিং করার জন্য শুধু একটি চোঙ্গার মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু বিএনপির প্রার্থী একটি মাইকের পরিবর্তে তার নির্বাচনী প্রচারণার কাজে নিয়োজিত সিএনজিতে দুটি মাইক ব্যবহার করেছেন। অভিযোগের প্রমাণস্বরূপ একটি স্থিরচিত্র সংযুক্ত করে দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন নগর আ.লীগের এই নেতা।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ করেছেন সিলেট সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও ২০ দলীয় জোটের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। সকালে নগরের কুয়ারপাড় পয়েন্ট, খুলিয়াটুলা শেখঘাট পয়েন্ট এলাকায় গণসংযোগ করেন আরিফুল। পরে জুমার নামাজ শেষে কদমতলী এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করে ধানের শীষে ভোট চান আরিফুল। আর সকালে নগরের আম্বরখানা এলাকায় গণসংযোগ করেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। তিনি নগরের শাহী ঈদগাহে জুমার নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। পরে সিলেটের সুবহানীঘাট এলাকায় নৌকার পক্ষে ভোট চান কামরান।

গণসংযোগকালে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘জনসেবাকে ইবাদত হিসেবে জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে নিয়েছি। সিলেটবাসীর দেওয়া আমানত রক্ষা করতে বিগত দিনে নগরীর উন্নয়নে কাজ করেছি। বিগত পাঁচ বছর আমার বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই আমাকে নগরবাসীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। কারণ অন্যায়ের সঙ্গে অতীতে যেমন আপস করিনি, ভবিষ্যতেও করব না।’

অপরদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনকে একটি ‘আধুনিক নগরী’ হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেটের মানুষ আজ নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। যে দিকেই যাচ্ছি মানুষের সাড়া পাচ্ছি। জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমি প্রস্তুত রয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আধ্যাত্মিক শহর সিলেটের মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার বন্ধন রয়েছে। দীর্ঘদিন আমি নগরের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করেছি। এক দিনের জন্য কখনো আমি আমার প্রাণের সিলেটবাসীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেনি। যত দিন আল্লাহ আমাকে জীবিত রাখবেন; আমি সিলেটের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের উন্নয়নে আন্তরিক। সিলেটের উন্নয়ন সম্পর্কে তাকে কিছুই বলতে হয় না। এবার প্রধানমন্ত্রী সিলেটকে উন্নত শহরে পরিণত করতে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। ৩০ জুলাই সিলেটের মানুষ নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দেবে ইনশাআল্লাহ।’ গতকাল সিলেট নগরের বিভিন্ন পাড়ামহল্লায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন দুই মেয়র প্রার্থী।

নৌকা ও ধানের শীষের জমজমাট প্রচারণা

রাজশাহী ব্যুরো অফিস জানায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গতকাল শুক্রবার দিনভর ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। নগরীর বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লিটন নৌকা প্রতীকে এবং বুলবুল ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।

রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট চেয়ে গতকাল শুক্রবার সাড়ে ১১টা থেকে নগরীর আসাম কলোনি ও শিরোইল কলোনি এলাকায় গণসংযোগ করেন এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। গণসংযোগের সময় এসব এলাকায় প্রচার মিছিল বের করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। এ দিকে গণসংযোগের শুরুতেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার, অপপ্রচার, সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে। এসব বিষয়ে ইসিতে ইতোমধ্যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভোটকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীরা অনেক উজ্জীবিত। ভোটাদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা শেষ দিন পর্যন্ত এমন পরিবেশ দেখতে চাই।’ তিনি জয়ের ব্যাপারে অনেক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ২৬নং এবং বিকেলে ২৭নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

বসিকে জনতার মুখোমুখি ৬ প্রার্থী

বরিশাল প্রতিনিধি জানায়, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’ আয়োজিত ‘জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ৬ মেয়র প্রার্থী। তবে ওই অনুষ্ঠানে গরহাজির ছিলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ। সেখানে মেয়র প্রার্থীরা ভোটারদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। গতকাল শুক্রবার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা নিয়ে জনগণের মুখোমুখি হন প্রার্থীরা।

এদিকে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাসদ, ইসলামী আন্দোলন, সিপিবি ও জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেরনিয়াবাদ সাদিক আবদুল্লাহর অনুপস্থিতিকে সমালোচনা করা হয়েছে। তাছাড়া অনুষ্ঠান শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছান ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব। ফলে তার সময়-জ্ঞান নিয়েও প্রশ্ন করেন অনেকে।

বেলা পৌনে ১১টায় নগরীর সদর রোডস্থ অশ্বিনী কুমার হলে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সুজনের জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠান। পরবর্তীতে স্বাগত বক্তব্য দেন সুজন বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ দত্ত এবং সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে বক্তব্য তুলে ধরেন সুজনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আক্কাস হোসেন। এরপর সুজন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের প্রথম অংশে অংশগ্রহণকারী ৬ মেয়র প্রার্থী সুজন কর্তৃক প্রদত্ত নির্বাচনী অঙ্গিকারনামায় স্বাক্ষর করেন।

নির্ধারিত ৫ মিনিটের বক্তৃতায় বিএনপি প্রার্থী আলহাজ অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আমরা নির্বাচন করছি কিন্তু জনগণের ওপর ভরসা রাখতে পারছি না। তারা ভোট দেবেন কি না, তা নিয়ে মানুষকে সন্দেহ করছি। এর কারণ দেশের মানুষ আজ তার গণতান্ত্রিক অধিকার পাচ্ছে না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন না হলে কোনো উন্নয়নই জনকল্যাণমুখী হবে না।’

তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে বিভিন্ন দফতরের কাছ থেকে জমি নিয়ে ১১টি মার্কেট নির্মাণ করে দিয়েছি। আমার আমলে কাউকে একটু করো জমিও লিজ দেইনি। নিজ উদ্যোগে নগরীর খাল এবং পুকুর দখলমুক্ত করেছি। আমি মেয়র থাকাকালে ৩টি মন্দির দখলমুক্ত করেছি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ এবং দখলবাজদের কাছ থেকে বাড়ি মালিক এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রক্ষা করেছি। বরিশালে শহররক্ষা বাঁধের কাজ আমিই শুরু করেছিলাম। একমাত্র আমিই বরিশাল নগরীকে সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করেছিলাম।’

জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, ‘আমি অঙ্গিকার করেছি জনগণকে দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন করব। তবে তার আগে জনগণের কাছে আমি একটি অঙ্গীকার চাই। তা হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের অঙ্গিকার। জনগণ আমাকে সেই ব্যবস্থা করে দেবেন।’

তিনি অঙ্গীকার করে বলেন, ‘আমি নগরপিতা হতে আসিনি। আমি নগরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে বরিশাল নগর ভবনের নাম পরিবর্তন করে সেবক ভবন ও নগরপিতার নাম পরিবর্তন করে নগর সেবক করা।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনকে পার্সেন্টেজ বাণিজ্য থেকে মুক্ত করব। সিটি করপোরেশনের আয় থেকে সবার আগে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার বেতন-ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা করব। সবাই বলেন, আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব। আর আমি বলি ‘আমার ভোট আমি দেব সৎ ভোট বেছে দিব’।”

বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত ‘মই’ প্রতীকের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, নির্বাচনের পর প্রার্থীদের আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জনগণকে যুক্ত করা হয় না। তাদের বাদ দিয়েই অপরিকল্পিত উন্নয়ন করা হয়। বাসদ নির্বাচিত হলে জনগণের মতামত নিয়েই উন্নয়ন করব।

ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘অপরিকল্পিত উন্নয়নে নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। খাল ভরাট করে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। খালের ওপর বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। যার ফলে পানির অবাধ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা নগরীর খালগুলোর অবাধ প্রবাহ ফিরিয়ে আনব।’

এর পাশাপাশি নারীদের জন্য পাবলিক টয়লেট, শ্রমজীবী নারীদের হোস্টেল নির্মাণসহ নারী ও শিশুবান্ধব একটি পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। এ ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত ‘কাস্তে’ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশনকে একটি দৃষ্টিনন্দন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। প্রতিটি রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণে নেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান। আমাদের দল নির্বাচিত হলে শিল্পভিত্তিক নগরী গড়ে তুলে বেকারত্ব দূর করব। বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করব।’ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশুবান্ধব নগরী গড়তে কাস্তে প্রতীকে ভোট দিন। আমরা আপনাদের একটি সুন্দর নগরী উপহার দেব।’

জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী বশির আহমেদ ঝুনু বলেন, একমাত্র শওকত হোসেন হিরন বরিশালের উন্নয়নে কাজ করেছেন। এর বাইরে যারা মেয়র ছিলেন তারা কেউ উন্নয়নে কাজ করেননি। নির্বাচনের আগে ভোটারদের আশ্বাস দিয়ে নির্বাচিত হন। কিন্তু পরে সেই আশ্বাস বাস্তবায়ন না করে মিস্টার টেন পার্সেন্ট উপাধি পান। নির্বাচনে মিস্টার টেন পার্সেন্টদের ঝেড়ে ফেলুন। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরহিতদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করব। কাউন্সিলরদের বসার জন্য নির্দিষ্ট অফিসের ব্যবস্থা করব।’

পিডিএসও/তাজ