করোনা প্রতিরোধে সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২০, ১৮:৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মন্ত্রণালয়, স্বায়ত্ত্বশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। 

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের অধীনস্থ সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের নিয়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন এবং উক্ত কমিটি ঐ ওয়ার্ডকে ১০ ভাগে বিভক্ত করে সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং এনজিও প্রতিনিধির সমন্বয়ে আরও ১০টি উপ-কমিটি গঠন করা সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মন্ত্রণালয়, স্বায়ত্ত্বশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

শনিবার দেশের বর্তমান করোনা মহামারীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এক ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের অধীনস্থ সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের নিয়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন এবং উক্ত কমিটি ঐ ওয়ার্ডকে ১০ ভাগে বিভক্ত করে সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং এনজিও প্রতিনিধির সমন্বয়ে আরও ১০টি উপ-কমিটি গঠন করা সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এসব কমিটি গঠিত হলে করোনা মোকাবেলা, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত বা অসহায় ব্যক্তিদের সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতাসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা-উপজেলার স্থানীয় প্রতিনিধিদের তৃণমূল পর্যায়ে সতর্ক অবস্থান নেয়ার পরামর্শ দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মন্ত্রী বলেন, দেশে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে গরীব, দুঃস্থ-অসহায় এবং ছিন্নমূল মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এনজিওকে সাথে নিয়ে একযোগে কাজ করে আসছে সরকার।

ত্রাণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গিয়ে যারা অনিয়মে যুক্ত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে তার মন্ত্রণালয়ের কঠোর অবস্থান নেয়ার কথাও জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছ উল্লেখ করে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার কথা মাথায় রেখেই এ ভাইরাস প্রতিরোধের কৌশল নেয়া উচিত।

ভিডিও কনফারেন্সে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরহাদ হোসেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ অংশ নেন।

এসময়, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক করোনার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।