বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:২৫

অনলাইন ডেস্ক
ছবি : মুঈদ খন্দকার

অবশেষে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এ সময় ফায়ার সার্ভিসসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, রাজউক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভবন ভাঙার কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দু’টি টিম গঠন করা হয়েছে। যারা বিজিএমইএ ভবন ভাঙায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জলাধার আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ আদালত ১৫ তলা বিশিষ্ট বিজিএমইএ ভবন ভাঙার আদেশ দেওয়ার পর গত এপ্রিলে ভবনটি ভাঙা এবং ভবনের ব্যবহারযোগ্য মালপত্র কিনতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

এর আগে বিজিএমইএ ভবনকে হাতিরঝিল প্রকল্পের 'ক্যান্সার' আখ্যায়িত করে হাইকোর্ট ২০১১ সালে এক রায়ে ইমারতটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। আপিলে নিজেদের পক্ষে রায় না পাওয়ার পর তিন দফা সময় প্রার্থনা করে ভবনটির মূল মালিক তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সর্বশেষ আদালতের দেওয়া সময়সীমা গত ১২ এপ্রিল শেষ হয়। এরপর ১৫ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবনের মালপত্র সরিয়ে নিতে একদিন সময় বেঁধে দেয় রাজউক। পরে সময় বাড়ানো হয় আরও কয়েক দিন। ভবনে থাকা বিজিএমইএসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠান তাদের মালপত্র সরিয়ে নিলে ভবনটি সিলগালা করে দেয় রাজউক। এরপর থেকে গত ৯ মাস ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন ভাঙার বিষয় নিয়ে কিছুটা জটিলতার সৃষ্টি হয়। ওই ভবন থেকে লিফট, এসিসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয় কর্তৃপক্ষ। এখন যেহেতু লিফট, এসিসহ অনেক মূল্যবান সামগ্রী নেই, সে কারণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আগে তাদের দেয়া দর কমানোর দাবি জানায়। তাদের দাবি অনুযায়ী এক কোটি দুই লাখ টাকায় ভবনটি ভাঙার সায় দেয় কর্তৃপক্ষ।

পিডিএসও/তাজ