আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে এখনো গভীর সংকটে দেশ

প্রকাশ | ২০ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, আজ যে যমুনা সেতু দেখছেন, সেটাকে নিয়ে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাপানের সঙ্গে কথা বলেছেন। জাপান সরেজমিনে এসে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করে গিয়েছিল। পদ্মা সেতু নিয়েও তিনি ওই সময় পরিকল্পনা করিছিলেন। আর ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট সেই কালো রাতে তাকেসহ পুরো পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করে দেশকে গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে দেশ এখনো গভীর সংকটে। তিনি বেঁচে থাকলে দেশ অনেক এগিয়ে যেত।  

মঙ্গলবার রাজধানীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের অডিটরিয়ামে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তাজুল ইসলাম বলেন, এক সাগর রক্ত বিলিয়ে দিয়ে তিনি আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন। আমরা তাকে ভুলি নাই। ভুলানোর জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল। বিশেষ করে বিএনপি জামায়াতের শাসনামলে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসসহ কোনও দিবসে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা হতো না। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়নি। এই বাংলার মানুষ তাকে ভুলে নাই। 

তিনি আরো বলেন, যুদ্ধের সময় দীর্ঘ ৯মাস দেশে কোনও ফসল উৎপাদন হয়নি। বিজয়ের পরে দেশ ছিল গভীর সংকটে। খাদ্য ছিলনা, সড়ক ও কালভার্ট ছিল না, পরিবহন ছিল না, সরকারি আমলাও ছিল না। এই গভীর সংকট থেকে অল্পদিনে সংবিধান প্রণয়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেটা সম্ভব হয়েছিল একমাত্র এই লৌহ মানবের কারণে। 

মন্ত্রী বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করে না। তারা বাংলাদেশের উন্নতি চায়, এটা কিভাবে বিশ্বাস করব! বিএনপি অফিসে যান সেখানে নেই তার ছবি। আপনি ভারতে দেখেন, সেই ইন্ধিরা গান্ধির ছবি সরকারি-বেসরকারি সব অফিস আদালতে রয়েছে। তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ছবি কেনও থাকবে না। সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এর আগে জাতির জনক ও তার সঙ্গে শাহাদাৎ বরণকারী পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া, ফাতেহাপাঠ ও মোনাজাত করা হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব কামাল উদ্দিন তালুকদার।

এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমান প্রমূখ। 

পিডিএসও/রি.মা