মশার নতুন কীটনাশক প্রয়োগ শুরু

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় কাজ করছি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৮:২৫ | আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ২১:৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার সর্বাত্মকভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। ছুটির দিনেও আমরা এসেছি, আপনারা এসেছেন। সচিবালয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের সব কর্মকর্তা কাজ করছেন।’

শুক্রবার চীন থেকে নিয়ে আসা মশা মারার নতুন কীটনাশকের আনুষ্ঠানিক প্রয়োগ শুরুর প্রাক্কালে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কীটনাশক প্রয়োগ শুরু করেন। নতুন পদক্ষেপ হিসেবে মোটরসাইকেলে করে এ কীটনাশক ছিটানো হয়।

এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই দেখেছি শিশুদের পাঠ্য সিলেবাসে ডেঙ্গু বা মশার বিষয়ে পড়ানো হয়। ডেঙ্গু বিষয়ে আমাদের বছরের ৩৬৫ দিন কাজ করতে হবে। আমাদের সবার দায়িত্ব আছে। সরকার তার সব শক্তি প্রয়োগ করলেও শহরের সব বাড়ির পরিবেশ ঠিক করতে পারবে না। কিন্তু প্রতিটি বাড়ির মালিক যদি একদিকে নিজ নিজ উদ্যোগে কাজ করেন তাহলে শহরের সব বাড়ি একদিনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, মশককর্মীদের জন্য এটাই চেয়েছিলাম। হেঁটে হেঁটে ওষুধ দিতে হয় বলে তাদের অনেক অভিযোগ শুনতাম। এখন আর তা থাকবে না। একবার ওষুধ দেওয়া শেষ হলে অফিসে এসে দ্রুত রিফিল করে ফের ওষুধ দিতে যেতে পারবে তারা।

পরে মন্ত্রীকে নিয়ে টাউন হল এলাকার বাজারের বিভিন্ন দোকান, আবাসিক ভবন এবং অলিগলিতে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন মেয়র। তখন ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন এবং মশার প্রজননস্থল হতে পারে এমন কিছু স্থান চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্র বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোমিনুর রহমান মামুনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পিডিএসও/তাজ