পশু কোরবানি বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫৪

অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সড়ক ও মহাসড়কে পশুর হাট না বসানোর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে সকলকে অনুরোধ করা হয়ছে।

এছাড়া বাড়ির আঙিনায় কোরবানির পর নিজ দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণরে জন্য অনুরোধ করা হয়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের আঙিনায় পশু কোরবানি করা হলে আয়োজকদের স্ব-উদ্যোগে বর্জ্য অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়ছে। সারা দেশে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানির পশু জবাই নিশ্চিত করার জন্য সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। কোনোক্রমেই উন্মুক্ত স্থান কিংবা সড়কে কোরবানি দেওয়া যাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের নির্দেশনার আলোকে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগে এ সংক্রান্ত দুটি সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, কোরবানির প্রতিটি পশুর হাটে সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্ধারিত কোরবানির স্থান ইলকেট্রনিক ডিজিটাল ডিসপ্লেতে জনগণকেকে জানানোর ব্যবস্থা করা হবে।  কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানসমূহ স্বাস্থ্যসম্মত রাখার পাশাপাশি বর্ষাকাল বিবেচনায় সামিয়ানা, ত্রিপল টাঙানো হবে। জবাইকৃত পশুর রক্ত অপসারণের জন্য ড্রেনেজ ও প্রয়োজনীয় বসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পশু জবাই কাজে স্থানীয় যুব সংগঠন, সমবায় সংগঠনকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

প্রতিটি হাটে ভটেরিনারি সার্জনের সমন্বয়ে মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেডিকেল টিম ক্ষতিকর স্টরয়েড প্রয়োগকৃত পশু ও অসুস্থ পশু সনাক্ত করবে এবং এ ধরণের পশু যাতে পশুর হাটে প্রদর্শন বা বিক্রি না হয় সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া মসজিদের ইমামগণকে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানির উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে জনগণকে সচতেন করার জন্য অনুরোধ করা হয়ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোরবানির পশুর হাট ও কোরবানির পশু জবাই কার্যক্রমের নিরাপত্তা বিধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ছে। কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট সনাক্তকরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। 

পিডিএসও/রি.মা