সব বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৩ | আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৪৯

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ও জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তার ও নার্সদের আরও যত্নবান হতে হবে। বিশেষায়িত নার্স তৈরি করতে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এরই মধ্যে দেশের বাইরে পাঠিয়ে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাই দেশেও এমন প্রশিক্ষণ চালুর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশের হাসপাতালগুলোর শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধিসহ চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সাপোর্টিং স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, দীর্ঘ দশ বছরে আমরা স্বাস্থ্য খাতের ব্যাপক উন্নতি করেছি। প্রথমবার সরকারে আসার পর আমরা ঢাকায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করেছিলাম। এরপর দ্বিতীয়বার থেকে শুরু করে আমরা চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী- তিনটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রত্যেকটা বিভাগে একটা করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি। 

তিনি উল্লেখ করে বলেন, মেডিকেল কলেজ তৈরির ক্ষেত্রেও অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে যে, কত ছাত্র, কত শিক্ষক, শিক্ষার মানটা কতটুকু হবে। আমাদের অভ্যাস আছে একটা যখন শুরু হয় তখন সবাই সেটা করতে চায়। কোনোভাবেই যত্রতত্র করতে দেওয়া যাবে না। মানসম্পন্ন হতে হবে। শিক্ষাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে হোমিওপ্যাথিক, ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে, এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ধরনের ব্যবস্থার দিকেও বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষের গড়আয়ু ছিল ৬৬ বছর। আর এখন তা ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছে। আমরা মা ও শিশু মৃত্যুহার কমিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে গ্রামাঞ্চলে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। সেখানে মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পাচ্ছে। তবে উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক কম রয়েছে। আমরা সেগুলো বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের রূপকল্প বাস্তবায়নে মোবাইল ফোন ও টেলিমেডিসিন পদ্ধতির মাধ্যমেও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।