প্রার্থীতা ফিরে পেতে ইসিতে ২২ আপিল

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৩১

অনলাইন ডেস্ক

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থিতা ফেরত পেতে আপিল করতে শুরু করেছেন মনোনয়ন বাতিল হওয়া সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বাতিল হওয়া এই প্রার্থীদের আপিল সোমবার সকাল থেকে গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন। বেলা দেড়টা পর্যন্ত ২২ জন আপিল করেছেন বলে কমিশন সচিবালয় থেকে জানা গেছে।

রোববার ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন। সারা দেশে দাখিল করা ৩০৬৫টি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর ২২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন।

এ পর্যন্ত যারা আপিল করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন, পটুয়াখালী- ৩ আসনের গোলাম মাওলা রনি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে নবাব মোহাম্মদ শামছুল হুদা, বগুড়া-৭ খোরশেদ মিলটন, খাগড়াছড়িতে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদাহ-১ আব্দুল ওয়াহাব, ঢাকা-২০ তমিজউদ্দিন, সাতক্ষীরা-২ মোহাম্মদ আফসার আলী, কিশোরগঞ্জ-২ মো. আখতারুজ্জামান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো. তৈয়ব আলী, মাদারীপুর-৩ মো. আব্দুল খালেক, দিনাজপুর-২ মোকাররম হোসেন, ঝিনাইদাহ-২ অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট আব্দুল মজিদ, ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ মো. শাহাজাহান, পটুয়াখালী-১ মো. সুমন সন্যামত, দিনাজপুর-১ পারভেজ হোসেন, মাদারীপুর-১ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সিলেট-৩ কাইয়ুম চৌধুরী, ঠাকুগাঁও-৩ এসএম খলিলুর রহমান ও জয়পুরট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান।

জানা গেছে, এক শতাংশ ভোটার না থাকা, লাভজনক পদে থাকা, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা, ঋণখেলাপি ও দণ্ডপ্রাপ্তিসহ বিভিন্ন কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে, আপিল না করলেও এ বিষয়ে তথ্য নিতে সোমবার কমিশনে এসেছিলেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে অজুহাতে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তাতে মনে হয় না কারও মনোনয়নপত্র টিকবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তাদের সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বিভিন্ন অজুহাতে।’

পিডিএসও/রিহাব