ঘূর্ণিঝড় তিতলি : ১৯ জেলায় ছুটি বাতিল

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:৫৭

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় তিতলির কারণে দেশের ১৯ জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের দিকে এলে বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর এবং শরিয়তপুর জেলায় ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। এ কারণে এসব জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল ঘোষণা করেছি।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলি হারিকেনের শক্তি নিয়ে আজ ভোরে ভারতের ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করে। এরপর বৃষ্টি ঝরিয়ে ঝড়টি দুর্বল হতে শুরু করায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সঙ্কেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে ঝড়টি আরো উত্তরপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে কিছুটা বাঁক নিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এর প্রভাবে বাংলাদেশে আগামী দুদিন ভারি বর্ষণের আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

সংবাদ সম্মেলনে মায়া বলেন, ১৯ জেলার প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে, সব সময় জেলার সঙ্গে কর্মকর্তারা যোগাযোগ রাখছেন। যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলার আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ওই ১৯ জেলার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে মানুষকে সেখানে নেয়া যায়। শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে, চাওয়া মাত্র সেগুলো পাঠিয়ে দেয়া হবে। প্রত্যেক জেলায় ২০০ টন চাল মজুদ রয়েছে। এছাড়া টিন, নগদ টাকা ও শীতবস্ত্র আগেই ডিসিদের দিয়ে রেখেছি।

ঘূর্ণিঝড় তিতলির কারণে ১৯ জেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। মায়া বলেন, গত পাঁচ বছরে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এই মন্ত্রণালয়ে কোনো সময় দুই নম্বরি হয়নি, ভবিষতেও হবে না।

পিডিএসও/হেলাল