ডিএনসিসির প্যানেল মেয়র ওসমান গণির দাফন সম্পন্ন

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৮ | আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্যানেল মেয়র মো. ওসমান গণির মরদেহ রোববার সকাল পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর তার মরদেহ গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) আনা হয়। বাদ জোহর ওই মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার মরদেহ ডিএনসিসি নগর ভবনের সামনে আনা হয়। সেখানে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত রাখা হয়। এ সময় ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ তার মরদেহে ফুলের শ্রদ্ধা জানান। পরবর্তীতে তার মরদেহ তার নিজ এলাকায় বাড্ডায় নেয়া হয়। বাদ আসর আলাতুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তার দ্বিতীয় নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মরদেহ বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। 

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান গনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও চার ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে ডিএনসিসি তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে। আগামী মঙ্গলবার বাদ আসর ডিএনসিসির নগর ভবনে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।   

আজ গুলশান আজাদ মসজিদে তার জানাযার নামাজের আগে ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমার কিশোর বয়স থেকে ওসমান গণি চাচাকে চিনি। তিনি একজন ভালো মানুষ। সদা হাস্যোজ্জল এই মানুষটি সকল আন্দোলন-সংগ্রামে নিঃস্বার্থভাবে জনগণের জন্য কাজ করে গেছেন।

 এ কে এম রহমত উল্লাহ এমপি বলেন, মরহুম ওসমান গণি আমার রাজনৈতিক সঙ্গী। তার সঙ্গে দীর্ঘদিন একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। তিনি অত্যন্ত সৎ জীবনযাপন করতেন। ছিলেন সদালাপী ও মিষ্টভাষী মানুষ। 

এই সময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদ হাসান, প্যানেল মেয়র-২ মো. জামাল মোস্তফা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাহুল ইসলাম এবং প্রয়াত প্যানেল মেয়রের ছেলে ব্যারিস্টার মিয়া মোহাম্মদ মাসুম গণি তাপস প্রমুখ। 

ডিএনসিসি ও মরহুম প্যানেল মেয়রের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন  ওসমান গনি। বারডেমে চেকআপ করালে তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। গত ১৪ আগস্ট সরকারের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান তিনি।

পিডিএসও/হেলাল