পবিত্র আশুরা আজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৩১ | আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৪১

নিজস্ব প্রতিবেদক

কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল পবিত্র আশুরা আজ। দিনটি মুসলমানদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে দিনটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয় মুসলিম বিশ্বে। বাংলাদেশেও আজ শুক্রবার যথাযোগ্য মর্যাদায় ও কর্মসূচিতে পবিত্র আশুরা পালিত হবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটির দিন।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন। শান্তি ও সম্প্রীতির মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করা হয়। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সকলকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা জোগায়।

আজ হোসনি দালানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাজিয়া মিছিল বের হবে। মিছিল ধানমন্ডি লেকে এসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বিশেষ প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও-টিভি চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া শোক মিছিলে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। রাজধানীর বড় কাটারা ইমামবাড়া, খোজা শিয়া ইসনুসারী ইমামবাড়া এবং বিবিকা রওজায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইমামবাড়া সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে প্রত্যেক দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করানো হবে।

তাজিয়া মিছিলে ঢোল বাজিয়ে দা, ছুরি, তলোয়ার ও লাঠিখেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ১২ ফুটের বেশি বড় নিশান ও আগুনের ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। মিছিলে ব্যাগ, পোঁটলা, টিফিন ক্যারিয়ার বহন করা যাবে না। মাঝপথে কেউ মিছিলে অংশ নিতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।

পিডিএসও/হেলাল