সেতু দুটির কারণে দারিদ্র্য হ্রাস পাবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:২২ | আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৭

অনলাইন ডেস্ক

তিতাস নদীর ত্রিমোহনায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ ওয়াই আকৃতির সেতু ‘শেখ হাসিনা তিতাস সেতু’ ও ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা তিস্তা সেতু’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেতু দুটি উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'তিস্তা ও তিতাস এই দুটি সেতু নির্মাণের কারণে এসব এলাকায় মানুষের দারিদ্র্য হ্রাস পাবে, কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, এলাকার সাধারণ মানুষের উন্নয়ন হবে।' 

রংপুরের গঙ্গাচড়ার সেতু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেতুটির কারণে ঢাকা আসতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ কমে যাবে। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য বাড়বে এবং ওই এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। কুড়িগ্রাম থেকে লালমনিরহাট হয়ে আমরা রেল যোগাযোগও স্থাপন করব।'

তিনি আরও বলেন, রংপুর দুর্ভিক্ষপীড়িত এলাকা। সেখানে সবসময় দুর্ভিক্ষ লেগে থাকত। ১৯৯৬ সালে যখন সরকারে আসি, বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। ২০০৮ সালে আমরা আবার জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসি। ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমরা ক্ষমতায় আছি। এখন কোথাও মঙ্গা নেই। আমরা রিসার্চ করে করে বহুমুখী ফসল উৎপাদন করতে শুরু করি। এই অঞ্চলে (উত্তরাঞ্চলে) আমরাই প্রথম ভুট্টা চাষের জন্যে প্রজেক্ট করি। আমি বলতে পারি, গত সাড়ে ৯ বছরে কেউ মঙ্গা শব্দটি শোনেনি। উত্তরবঙ্গের লোক মঙ্গা শব্দটি ভুলেই গেছে।

বাঞ্ছারামপুরের সেতু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এই সেতু নিয়ে কয়েকটি উপজেলার মানুষের মধ্যে ঝগড়া ছিল। এরপর আমি সবাইকে ডাকলাম। ম্যাপ নিয়ে বসলাম। এরপর ডিজাইন চেঞ্জ করে দিয়ে আমি নতুন করে বললাম- সেতুর একটা অংশ বাঞ্ছারামপুর থেকে চলে যাবে মুরাদনগর, আরেকটা অংশ চলে যাবে হোমনায়। তাহলে সেতুটি দেখতেও অন্যরকম হবে, যা এখন ওয়াই সেতু নামে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সারাদেশে উন্নত সড়ক নেটওয়ার্ক গড়তে কাজ করছে সরকার। যোগাযোগ যত উন্নত হবে মানুষ তত আর্থিকভাবে উন্নত হবে। দারিদ্রতা হ্রাস পাবে। তাই আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে কাজ করছি।

পিডিএসও/তাজ