‘মানুষ যেনো স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে পারে সেই চেষ্টাই করেছি’

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৪ | আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৮, ২০:৪৯

অনলাইন ডেস্ক

প্রতি বছরেই পূজার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সবসময় চেষ্টা করি, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ বা মুসলমান সবার ধর্মীয় উৎসব যেন আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়। বললেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা।

মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মহোৎসব উপলক্ষে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্লোগানই হচ্ছে ধর্ম যার যার উৎসব সবার এবং এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের সব থেকে সৌন্দর্য। প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবাই এক হয়ে উৎসব উদযাপন করছে, এই এরকম সুন্দর একটা পরিবেশ আমরা বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, আপানারা এই দেশেরই মানুষ। এই দেশেরই সন্তান। এই দেশ আপনাদের। মহান মুক্তিযুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। শহিদের রক্ত তো কোন বাধা মানেনি। কে হিন্দু কে মুসলমান, কে খ্রিস্টান, কে বৌদ্ধ, সেটা দেখেনি। সেই রক্ত একাকার হয়ে গেছে লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করেছি। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প কেউ যেন ছড়াতে না পারে এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় প্রতিটি মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থাই করতে চেয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দেশ স্বাধীন করেছি। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ এক হয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এই দেশ সকল ধর্মের মানুষের জন্য। এখানে সুন্দরভাবে বসবাস করা, প্রত্যেকেরই আর্থসামাজিক উন্নতি,সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

পিডিএসও/রিহাব