টরেন্টো পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৮, ২০:০৬

অনলাইন ডেস্ক

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে টরেন্টো পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় টরেন্টোতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ এবং কানাডার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ও উপপ্রধান প্রটোকল জোনাথন সাউভি পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

এর আগে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাই থেকে স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী কানাডার উদ্দেশে রওনা হন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় রাত ১০.৫ মিনিটে তিনি দুবাইয়ে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান।

আগামী ৯ জুন অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধান ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

২ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী টরেন্টো থেকে কানাডার প্রাদেশিক শহর কুইবেকে যাবেন। সেখানে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং সে দেশের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক গণ্যমান্য ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কুইবেকের জ্যাঁ লেসাগে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা জানাবেন।

সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার লি ম্যানইর রিচেলিউ হোটেলে জি-৭ আউটরিচ নেতাদের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। স্থানীয় সময় রোববার সকালে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। এদিন তিনি কুইবেক থেকে টরেন্টোতে ফিরে আসবেন এবং সন্ধ্যায় হোটেল মেট্রোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধানমন্ত্রী সোমবার (স্থানীয় সময়) কানাডার মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত বব রের সঙ্গে বৈঠক করবেন। হোটেল রিজ কার্লটনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

শেখ হাসিনা সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও রফতানি উন্নয়নমন্ত্রী গর্ডন ওয়েন্ট কিউসি, অভিবাসনমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন ও সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

টরেন্টো ত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী তার হোটেল কক্ষে কমার্শিয়াল কর্পোরেশন অব কানাডার (সিসিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্টিন জেবলকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন।

শেখ হাসিনা জি-৭ দেশগুলোর এ শীর্ষ সম্মেলনে ১৬টি দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগ দেবেন। এটি বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি প্লাটফর্ম। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে প্লাটফর্মটি গঠিত।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট এবং জি-২০ এর সভাপতি মাউরিকো ম্যাকরি, হাইতির প্রেসিডেন্ট ও ক্যারিবিয়ান কমিউনিটির সভাপতি জোভেনেল মইসি, জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রিউ হোলনেস, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহরো কেনিয়াত্তা, মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিলদা হেইনি, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান ইউনিয়নের সভাপতি পল ক্যাগামি, সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, সিসিলির প্রেসিডেন্ট ড্যানি ফেউরি, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান পুউচ, ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন ল্যাগারডি, ইকোনমিক কো-অপারেশন ও ডেভেলপমেন্ট সংস্থার মহাসচিব জোসে অ্যাঞ্জেল গুরিয়া, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টালিনা গিউরগিভা সম্মেলনে যোগ দেবেন।

পিডিএসও/রিহাব