মানসিক চাপ কমানোর সহজ ‍উপায়

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০১৮, ২০:৫৯

অনলাইন ডেস্ক

মানুষ বিভিন্ন সময় মানসিক চাপে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পারিবারিক অশান্তি, অফিসের ঝামেলা, ব্যক্তিগত জীবন, রাষ্ট্রীয় সমস্যা- সব মিলিয়ে চাপমুক্ত থাকাটাই ভীষণ কঠিন।সারাদিনের নানা সমস্যা আমাদের মনের অনেকটা জুড়ে থাকে। ফলে মানসিক চাপের শিকার হতেই হয়।

তবে সহজ কিছু উপায় জানা থাকলে এই চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জেনে নিন এমন কিছু উপায়।

হাঁটাহাঁটি: কাজে মন না বসলে বা চাপ পড়লে অনেকেই ধূমপানের আশ্রয় নেন, যা শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। তাই সে সব ছেড়ে বরং হাঁটায় মন দিন। কোনো এক সময় অফিস থেকে বেরিয়ে চারপাশ হেঁটে আসুন। মিনিট পনেরো হাঁটলেও শরীরের পেশিরা সক্রিয় হয়। 

শরীর ম্যাসাজ : শরীরের নানা ব‌্যথা কমাতে যেমন এটি উপকারী, ঠিক তেমনই মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে প্রফুল্ল রাখতেও এর জুড়ি নেই। পেশী ও স্নায়ুগুলিকে সতেজ রাখে ও রক্ত চলাচলে সুবিধা করে দেয় এই ধরনের ম্যাসাজ। তাই সপ্তাহে একবার বডি ম্যাসাজ করালে শরীর ও মন দুটোই ফুরফুরে থাকবে।

গান : মানসিক চাপে পিষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে শুনতে পারেন হালকা মেজাজের কোনো গান। তবে অবশ্যই আপনার ভালো লাগে এমন গান হতে হবে। অফিসে থাকলেও হাতে মাত্র মিনিট পাঁচেক সময় নিয়ে কাজ রেখে ইয়ারফোনে গান শুনুন। তারপর আবারও কাজে বসুন। গান মস্তিষ্কের কোষকে আরাম দিয়ে কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়।

আঁকাআঁকি : আঁকাআঁকির শখ আছে? তা হলে সঙ্গে রাখুন কাগজ। কাজের ফাঁকে সামান্য সময় পেলেই আঁকাআঁকি করুন। তাতে মনের চাপ যেমন কমবে, তেমনই পুরনো শখও ঝালিয়ে নিতে পারবেন। মনোবিদদের মতে, কম্পিউটারের যুগে কাগজ-কলমের সান্নিধ্য এমনিতেই মন-মেজাজ হালকা রাখে। 

চুইং গাম : তামাক ছাড়তে অনেকেই চুইং গামে আস্থা রাখেন, মানসিক চাপ কমাতেও এর উপর ভরসা করতে পারেন। চুইং গামের মধ্যে থাকা নানা রাসায়নিক উপাদান স্নায়ুগুলিকে সাময়িক উদ্দীপ্ত করে। ফলে ক্লান্তি দূর হয়। কাজে নতুন শক্তি ফিরে পাওয়া যায়। 

মেডিটেশন : প্রতি দিন ঘুম থেকে উঠে বা ঘুমোতে যাওয়ার আগে মেডিটেশন করুন। ধ্যান বা মেডিটেশন মনঃসংযোগ বাড়ায়, সহজেই কমে কাজের চাপ। চিকিৎসকদের মতে, রোজ মেডিটেশনে অভ্যস্ত হলে মন শান্ত থাকে। সহজে উত্তেজিত হওয়ার প্রবণতাও কমে যায়। 

পিডিএসও/তাজ