মা-ছেলে হত্যায় রাজশাহীতে ৩ জনের ফাঁসি

যাবজ্জীবন ৪ জনের

প্রকাশ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১৭ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:১৫

প্রতিদিনের সংবাদ

রাজশাহীর বাগমারায় দেউলা গ্রামের আকলিমা বেগম ও তার ছেলে জাহিদ হাসানকে গলাকেটে হত্যার মামলায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া রায়ে চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার আজ বুধবার মামলাটির রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নিহত আকলিমা বেগমের দেবর আবুল হোসেন মাস্টার, তার সহযোগী হাবিবুর রহমান হাবিব এবং দুর্গাপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে আবদুর রাজ্জাক। তাদের মধ্যে আবুল হোসেন বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। দেউলা রানী রিভারভিউ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও তিনি। আর হাবিবুরের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামে।

আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—দুর্গাপুরের শ্যামপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে আবদুল্লাহ আল কাফি, লবির উদ্দিনের ছেলে রুহুল আমিন, দুর্গাপুরের খিদ্রকাশিপুর গ্রামের ছাবের আলীর ছেলে রুস্তম আলী এবং খিদ্রলক্ষ্মীপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির। এরা ভাড়াটে খুনি হিসেবে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এ বছরের এপ্রিলেই মামলাটি জেলা জজ আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলাটিতে মোট ৫১ জন সাক্ষী ছিলেন। আদালত ৪৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এরপর গত বুধবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার রায় ঘোষণার দিন আজকের দিন ধার্য করেছিল।

বাগমারার দেউলা গ্রামে নিজ বাড়িতে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে আকলিমা বেগম ও তার ছেলেকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আকলিমার বড় ছেলে দুলাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় নানা মোড় নেয় এই জোড়া খুনের তদন্ত।

পিডিএসও/হেলাল