হলি আর্টিজান হামলার মামলায় ১০১ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০১৯, ১৫:৪৬

আদালত প্রতিবেদক

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার ২ ডাক্তারসহ আরো ৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৯ আগস্ট ধার্য করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে স্বাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন ট্রাইব্যুনালে দুই ডাক্তারসহ ৩ জন সাক্ষী উপস্থিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২১১জন স্বাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ১০১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।

সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মঙ্গলবার আদালতে যে ৩ জন সাক্ষী দিয়েছেন, ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.সাদিয়া ইসলাম স্বর্ণা, ডা.নাদিম মহবুব ও পুলিশের কাউন্টার টেরিরিজমের পরিদর্শক সফিউদ্দিন শেখ।

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। 

২০১৮ সালের ৮ আগস্ট ঢাকার  সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ৮ আসামির বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করে আলোচিত এ মামলার দায় থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমকে অব্যাহতি দিয়ে পলাতক দুই আসামি মো. শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। এদিন জেল হাজতে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।

২০১৮ সালের ২৬ জুলাই ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মো. সাইফুজ্জামার হিরো মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ প্রদান করেন। 

এর আগে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবীর। আসামিদের মধ্যে ৬ জন কারাগারে ও দুই জন পলাতক রয়েছে।  মামলার অভিযোগপত্রে ২১১জন স্বাক্ষী রয়েছেন।

পিডিএসও/তাজ