যুদ্ধাপরাধী মুসার মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ | ২৭ আগস্ট ২০১৯, ১২:০৫

অনলাইন ডেস্ক

একাত্তরে রাজশাহীর পুঠিয়ায় হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে আবদুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁর ফাঁসির রায় এসেছে যুদ্ধাপরাধ আদালতে।

বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার আসামির উপস্থিতিতে এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ন।

একসময়ের মুসলিম লিগ কর্মী মুসা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং স্থানীয় রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে পুঠিয়ার গ্রামে গ্রামে বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত হন বলে উঠে এসেছে এ মামলার বিচারে।  

১৭৪ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত বলেছে, ‘আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা চারটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগেই তাকে দেওয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ড।’ নিয়ম অনুযায়ী, রায়ের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ৬২ বছর বয়সী আবদুস সামাদ মুসা।

পিডিএসও/হেলাল