সাংবাদিক নদী হত্যায় আসামি মিলন কারাগারে

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৬

খালেকুজ্জামান পান্নু, পাবনা প্রতিনিধি

আনন্দ টেলিভিশনের পাবনা প্রতিনিধি এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগ্রত বাংলার’ সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক সুবর্ণা নদী হত্যা মামলার আসামি শামসুজ্জামান মিলনকে (৪২) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক অরবিন্দ সরকার মিলনকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পাবনা অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম রিমান্ড মঞ্জুর না করে মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করে মিলনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম প্রতিদিনের সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামসুজ্জামান মিলন পাবনা শহরের গোপালপুর এলাকার মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি সাংবাদিক সুবর্ণা নদী হত্যা মামলার  তিন নম্বর আসামি। শনিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলা থেকে মিলনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ আগষ্ট সাংবাদিক সুবর্ণা নদীকে তার বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যার পরদিন নদীর মা মর্জিনা বেগম ‘ইড্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস’ ও ‘শিমলা ডায়াগনস্টিকের’ মালিক এবং নদীর সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেন, তার ছেলে নদীর সাবেক স্বামী রাজিব, রাজিবের সহকারী মিলনসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করে পাবনা থানায় মামলা করেন। মামলার পর আবুল হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার আবুল হোসেনকে পাবনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক অরবিন্দ সরকার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে, তিন দিনের রিমান্ডে আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও পুলিশ হত্যাকান্ড সংক্রান্ত ইতিবাচক কোনো তথ্য উৎঘাটন করতে পারেনি।

পিডিএসও/এআই