প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ

জনতা ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা নতুন করে নেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৫:০২ | আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৮:৪৪

অনলাইন ডেস্ক

জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগের পরীক্ষা বাতিল করে ওই পরীক্ষা নতুন করে নেওয়ার জন্য এক নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত নতুন করে লিখিত পরীক্ষা নিতে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মোহাম্মদ ইকবাল কবীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ–সংক্রান্ত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও সুপ্রকাশ দত্ত অমিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক অনুষদের ডিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও মজিবর রহমান সম্রাট।

রায় ঘোষণার পর আইনজীবী সুপ্রকাশ দত্ত বলেন, গত বছর ২১ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষা হয়। এর এক মাস পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে হাইকোর্টে এই রিট করেন ১৫ পরীক্ষার্থী।

‘আদালত প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২২ মে হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ রায় দিলো আদালত। রায়ে ওই পরীক্ষা বাতিল করে নতুনভাবে পরীক্ষা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য গত বছর ২৪ মার্চ প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা হয়। ৮৩৪টি পদের বিপরীতে তাতে উত্তীর্ণ হয় ১০ হাজার ১৫০ জন। এরপর ২১ এপ্রিল ৯ হাজার ৪০০ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই পরীক্ষার দিনই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে।

এ প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগে অনুষ্ঠিত ওই লিখিত পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করে নতুন করে নেওয়ার নির্দেশ দিলো হাইকোর্ট। 

পিডিএসও/তাজ