নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১১:৪৫ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৩:০৮

অনলাইন ডেস্ক

ঘুষগ্রহণের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেন।

মামলাটিতে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ না করে হাইকোর্টের দেয়া সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে নাজমুল হুদার আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে তা খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এই আদেশের ফলে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতেই হচ্ছে নাজমুল হুদাকে।

নাজমুল হুদা নিজেই তার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। খুরশীদ সাংবাদিকদের বলেন, উত্থাপিত হয়নি মর্মে আদালত আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। এখন হাইকোর্টের রায় পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে।

গত ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট দুর্নীতির এক মামলায় নাজমুল হুদাকে চার বছর কারাদণ্ড এবং স্ত্রী সিগমা হুদার কারাভোগকালীনকে তার সাজা হিসেবে ঘোষণা করেন। আদালত ওই রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দুদকের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি করেন। সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে'র জন্য মীর জাহের হোসেনের কাছ থেকে দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদা।

২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মামলাটির রায়ে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেন। তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে ২০১১ সালের ২০ মার্চ তাদের খালাস দেন হাইকোর্ট। পরে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ০১ ডিসেম্বর খালাসের রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। এ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ করলে গত বছরের ১৩ এপ্রিল সেই আবেদনও খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্টে এ মামলার পুনঃশুনানি নেয়া হয়।

পিডিএসও/হেলাল