করোনার উৎস জানতে চীনে যাচ্ছে ডব্লিউএইচও

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২০, ১০:৪৩

অনলাইন ডেস্ক

করোনার উৎস কী? উত্তর খুঁজতে চীনে আরও একবার বিশেষজ্ঞ দল পাঠাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। কারণ সংস্থাটি মনে করছে এই ভাইরাসের উৎস না জানা গেলে ভাইরাসকে নিধন সম্ভব না। সোমবার এক ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেসাস বলেন, ভাইরাসটির বিস্তার কীভাবে শুরু হয়েছিল তা সহ সমস্ত কিছু জানলে আমরা আরও ভালভাবে লড়াই করতে পারব।

তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও মে মাসের গোড়া থেকেই চীনকে চাপ দিচ্ছে করোনভাইরাসটির প্রাণীর উৎস তদন্তে সহায়তা করার জন্য বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানাতে।

তেদরোস আধানম বলেন, ইতোমধ্যে ভাইরাসটির চরম খারাপ রূপ আমরা দেখেছি। করোনাকে কেন্দ্র করে যেমন উদারতা ও সংহতির চিত্র দেখা গিয়েছে তেমনি বিভিন্ন দেশ প্রকৃত মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা লুকিয়ে রাজনীতিকরণও করেছে। তবে আমি দুঃখিত এটা বলার জন্য যে, এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ সময় আসেনি। সামনে আরও ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আসলে আরও খারাপ অবস্থার কথা ভাবলে ভয় পাচ্ছি।

সারাবিশ্বে এক কোটিরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৭৭ জন। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৫ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৮৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ লাখ ৮১ হাজার ৮১১ জন।

করোনাভাইরাস এখন দরিদ্র দেশগুলোতে বিস্তার লাভ করছে। ইতোমধ্যে ব্রাজিল আক্রান্তের হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৮ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং ৫৮ হাজার ৩৮৫ জন মারা গেছেন।

চীনের উহান শহরে গত বছর ডিসেম্বর থেকে দেখা যাওয়া এই নতুন ভাইরাস মূলত ফুসফুসে বড় ধরনের সংক্রমণ ঘটায়। জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষ্মণ। নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো। এখনও পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।

পিডিএসও/এসএম শামীম